স্পোর্টস ডেস্ক:
আবহাওয়া ভালো থাকায় দিনের খেলা তিন ওভার বাড়িয়ে দেন ম্যাচ অফিশিয়ালরা। দ্বিতীয় দিন ও জাফর আনসারির ওভারের শেষ বল। আর ওই শেষ বলেই সর্বনাশের শিকার মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

অপরপ্রান্তে হাফসেঞ্চুরি তুলে নিয়ে বেশ স্বাচ্ছন্দেই ছিলেন ইমরুল কায়েস। তাই স্ট্রাইকিং প্রান্তে ৪৭ রানে মাহমুদউল্লাহ হয়তোও হাফসেঞ্চুরি পূরণ করে মাঠ ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু আনসারির বলে বোল্ড হয়ে আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়লেন তিনি।

ইমরুল-মাহমুদউল্লাহর ৮৬ রানের জুটিতে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৫২ রান। দ্বিতীয় দিন শেষে ১২৮ রানের লিড পেয়েছে বাংলাদেশ।

ঢাকা টেস্টে প্রথম ইনিংসের পর আজ দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যাট হাতে ঝড়ের আভাস দিয়েছিলেন বাংলাদেশি ওপেনার তামিম ইকবাল।

তবে দূর্দান্ত সূচনার পর অভিষিক্ত ইংলিশ বোলার জাফর আনসারির শিকার হয়ে মাঠ ছাড়তে হয়েছে তামিমকে (৪০)। এরপর দলের রানের সঙ্গে মাত্র ১ রান যুক্ত হওয়ার পর প্যাভলিয়নের পথ ধরেন প্রথম ইনিংসে দারুণ ব্যাটিং উপহার দেওয়ার মুমিনুল হক (১)।

দলীয় ৬৬ রানে দুই উইকেট হারিয়ে কিছুটা চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। তবে শেষ বিকেলের আলোতে দলকে সেই চাপ থেকে মুক্ত করেন আরেক ওপেনার ইমরুল কায়েস ও মাহমুদউল্লাহ। দারুণ বোঝাপড়ায় তারা দলকে নির্ভরযোগ্য অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।

তবে দ্বিতীয় দিনের শেষ বলে বাংলাদেশকে হতাশ ডুবালেন মাহমুদউল্লাহ। জাফর আনসারীর ওভারের শেষ বলে মাহমুদউল্লাহ বোল্ড হওয়ায় ইমরুল-মাহমুদউল্লাহর ৮৬ রানের জুটিতে ছেদ পড়ে। সেই সঙ্গে শেষ হয় দিনের খেলাও।

এর আগে ২৪ রানে পিছিয়ে থেকে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট নেমে শুরুটা ভালোই করেন তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েস। প্রথম ১০ ওভার থেকে দুজন তোলেন ৫৬ রান। ১৩তম ওভারে তামিমকে ফিরিয়ে ৬৫ রানের জুটি ভাঙেন অভিষিক্ত জাফর আনসারি। তার বলে লেগ স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান তামিম (৪৭ বলে ৪০)।

তামিমের বিদায়ের পর প্রথম ইনিংসে ফিফটি করা মুমিনুল হক ফেরেন মুখোমুখি হওয়া দ্বিতীয় বলেই। বেন স্টোকসের বলে স্লিপে সহজ ক্যাচ দেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান (১)। বাংলাদেশের স্কোর তখন ২ উইকেটে ৬৬।

এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ২২০ রানের জবাবে ২৪৪ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। ফলে ইংল্যান্ড লিড পেয়েছিল ২৪ রানের।

LEAVE A REPLY