বাংলাদেশ ছাত্রলীগের মহানগর,জেলা,উপজেলা এবং ওয়ার্ডগুলোতে ছাত্রলীগের কমিটি করার জন্য ছাত্রলীগের চেয়ে আওয়ামীলীগ,যুবলীগ ও স্থানীয় এমপি-মন্ত্রীদের পছন্দের লোকদের বেশি প্রধান্য দেয়া হয়। কমিটি ছাত্রলীগের হলেও কেন্দ্রী নেতারা স্থানীয় প্রভাবশালীদের বাইরে গিয়ে কখনই কমিটি করতে পারেননা। নিজ জেলা বা বিভাগে ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নিজেদের থেকে নেতা নির্বাচন করলেও বাইরের বিভাগ ও জেলাগুলোতে নিজেদের মত করে কমিটি দিতে পারেননা।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক সিদ্দীকী নাজমুল আলমের ফেসবুক স্টাটাসে বিষয়টি তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি লিখেছেন “বাংলাদেশের এমন একটা জেলা কিংবা উপজেলা ইউনিটের নাম কেউ বলতে পারবেন যেখানে ছাত্রলীগের কমিটি গঠন স্থানীয় এম.পি কিংবা স্থানীয় প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতার পছন্দের বাইরে কেউ করতে পেরেছিল কিংবা পারে । দোষ কিন্তু আবার তারা নেননা তখন দোষ হয় সংগঠনের । !!! গরীবের বউ সবার ভাবী !! ”।

খোজ নিয়ে জানা যায়,কেন্দ্র থেকে শুধু সম্মেলনের দিনখন ঠিক করে দেয়া হয়। যেহেতু ভোট হয়না তাই স্থানীয় আওয়ামীলীগের প্রভাবশালী কিংবা এমপিরা আগে থেকেই কাদেরকে নেতা বানাবেন তা ঠিক করে রাখেন এবং সে অনুযায়ী কমিটি হয়। সেক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নিজস্ব পছন্দ থাকলেও তারা দিতে পারেননা।

এসব কারণে অনেক ত্যাগী স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা যারা তাদের আসনের এমপি-মন্ত্রী কিংবা প্রভাবশালীদের সাথে ভাল সম্পর্ক রাখেননি তাদেরকে কমিটিতে রাখা হয়না। যেকারণে ছা্ত্রলীগের অনেক ত্যাগী নেতারা অনেকসময় বাধ্য হয়ে মারামারিতে জড়িয়ে পরেন কাউন্সিলের সময়।

এই ট্রেডিশন থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন কেন্দ্রের কয়েকজন নেতা।

LEAVE A REPLY