আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেট দল মনোনীত হিলারি সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনের আগের সব জরিপও বলছিল হিলারিই প্রেসিডেন্ট হতে যাচ্ছেন।

তবে এসব কিছুকে ভুল প্রমাণিত করে এক অবিশ্বাস্য জয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প।

জনপ্রিয় অবস্থানে থেকেও মার্কিন নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (এফবিআই)  পরিচালক জেমস কোমেকে দায়ী করেছেন হিলারি ক্লিনটন। গত ৮ নভেম্বর নির্বাচনের কয়েকদিন পর দলের শীর্ষ অর্থ যোগানদাতাদের সঙ্গে ফোনালাপে হিলারি এই দোষারোপ করেন। অবশ্য এমন কথা তিনি সরাসরি না বললেও ফোনালাপটি ফাঁস হয়ে গেলো আমেরিকান সংবাদমাধ্যমে।

হিলারি তার ফোনালাপে বলেন, সবকিছু গোছানোই ছিল। কিন্তু প্রথম দফায় ইমেইল ফাঁস তদন্তের বিষয়টি চাপা পড়ার পর নতুন করে তদন্তের ঘোষণায় প্রচারণা শিবির এবং জনসাধারণের মধ্যে প্রভাব পড়ে। এই পরাজয়টা এফবিআই পরিচালকের ওই হস্তক্ষেপেরই পরিণতি।

আমেরিকান সংবাদমাধ্যমে বিষয়টি এখন ‘হট টক’ হলেও এ নিয়ে এখনও সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি হিলারি। জবাব দেয়নি এফবিআইও।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটন রাষ্ট্রীয় তথ্য আদানপ্রদানে ব্যক্তিগত ই-মেইল সার্ভার ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

২০১৫ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে অভিযোগটি উঠলেও তদন্তের পর গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে এফবিআই জানিয়েছিল।

এ কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি।

তবে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে জেমস কোমে কংগ্রেসকে জানান তিনি নতুন কিছু ই-মেইল এর সন্ধান পেয়েছেন এবং সেগুলো নিয়ে পুনরায় তদন্ত করবেন।

ওই নির্বাচনে হিলারিকে হারিয়ে প্রেসিডেন্ট হয়ে যান আলোচিত প্রার্থী রিপাবলিকান পার্টির ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চালিয়ে আসছে হিলারি সমর্থকরা।

LEAVE A REPLY