সকাল ৮ টায় পৌঁছাতে হবে ক্যাম্পাসে। সেখানে পরচিয়পর্ব শেষে যার যার বরাদ্দকৃত সংগঠনের লোগো লাগানো টি-শার্ট নিয়ে লঞ্চে উঠতে হবে। এরপর শুরু হবে আনন্দযাত্রা। সকালে যেহেতু ঘুম থেকে উঠতে হবে আর উঠতে না পারলে সব মিস। তাই আগের রাত থেকেই না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন মেম্বাররা। প্রাণের টানে একটি ব্যানার “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকল্যান,কুড়িগ্রামের” নামে একত্র হোন শিক্ষার্থীরা। ক্যাম্পাসের বটতলায় ৮ টার আগেই সবাই হাজির। এরপর ব্যানার নিয়ে সদরঘাট। সেখান থেকে লঞ্চে করে মুন্সিগঞ্জ যাত্রা। যাত্রাপথেই খাওয়া-দাওয়া আর বক্তৃতা শেষ করেন তারা। প্রায় ১২০ জন তরুণ যারা ঢাকার এই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অধ্যয়ন করছেন সবাই ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনায় কাটান প্রতিটি সেকেন্ড।

লঞ্চ যাত্রাটির মাধুর্য বাড়ে ওই ক্যাম্পাসেরি একজন শিক্ষক অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর আইনুল ইসলাম আর বিশিষ্ঠ ব্যবসায়ী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিবারের সদস্য মাজহারুল ইসলাম মাজুর অংশগ্রহণে। আরও যোগ দেন ডা:সুমন,কেএসডব্লিউএডির সভাপতি নাজমুল হুদা সুমন,সাধারণ সম্পাদক রওশনুজ্জামান কানন,ইবি ছাত্রকল্যান সমিতির সভাপতি পলাশ। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম। আর সভাপতিত্ব করেন সভাপতি শাখওয়াত স্বপন।

লটারী,প্রতযোগিতা,গান আর নানান ধরণের ব্যতিক্রমী আয়োজনে মেতে উঠেন সবাই। ক্ষণিকের জন্য বয়স,উচু-নিচু ভলে গিয়ে শিক্ষক-ছাত্র সকলেই এক হয়ে উপভোগ করেন পুরো সময়টি।

LEAVE A REPLY