নিজস্ব প্রতিনিধি, জাবি:

২০ টাকা মূল্যের একটি কোমল পানীয় বোতলের মূল্য ৩০ টাকা করে রাখছেন এক দোকানী। এত বেশি মূল্য কেন রাখছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিক্রি বেশি হচ্ছে না, ২/৩ জন লোক রাখা ২/৪ টাকা তো বেশি রাখবোই’। এটা শনিবার জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জীববিজ্ঞান অনুষদের পাশে বাসানো একটি অস্থায়ী দোকানের পণ্য মূল্যের চিত্র। এমনটা ঘটছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় সবক’টি স্থায়ী-অস্থায়ী দোকানেই।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) শ্রেণীর ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে আজ শনিবার। আর এই পরিক্ষাকে কেন্দ্র করে খাবার সহ বিভিন্ন পণ্যের এমন ‘গলাকাটা’ মূল্য রাখা হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন স্থানে সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, ১০ টাকার পণ্য ১৫ টাকা, ২০ টাকা পণ্য ৩০ টাকা আর ৩০ টাকার পণ্য ৫০ টাকা কোন কোন দোকানে এর চেয়েও বেশি দাম রাখা হচ্ছে নবীন এসব শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের হোটেলগুলোতেও শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে চড়ামূল্য রাখা হচ্ছে। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিস সূত্রে জানা যায়, এবারের ভর্তি পরিক্ষাকে কেন্দ্র করে প্রশাসন ৫১টি ভ্রাম্যমান দোকান বসানোর অনুমতি দিয়েছে। তবে অনুমতি ছাড়াও অবৈধভাবে দোকান বসানোর ঘটনাও ঘটেছে। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে এরকম প্রায় ২৬টি দোকান বসেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের এস্টেট অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.নুরুল আমিন বলেন, তারা খাবারের মূল্য একটু বেশি রাখবে। অবৈধ দোকানের বিষয়ে তিনি বলেন, শিগ্রই এসব অবৈধ দোকানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

LEAVE A REPLY