অতিথি পাখি দেখতে জাবিতে নোবেল জয়ী নাইপল

নিজস্ব প্রতিনিধি, জাবি:

ক্যারিবীয় দ্বীপ ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগো বংশোদ্ভূত সাহিত্যে নোবেল জয়ী ব্রিটিশ লেখক স্যার বিদ্ধাধর সূর্যপ্রসাদ নাইপল জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) পরিদর্শন করেছেন। রবিবার নাইপল ঘণ্টা দুয়েকের সফরে স্ত্রী পাকিস্তানী সাংবাদিক নাদিরা খানম আলভী সহ জাবিতে আসেন।

এরপর তিনি ক্যাম্পাসের বন্য প্রজাতি সংরক্ষণ কেন্দ্র, ট্রান্সপোর্ট এরিয়া সংলগ্ন লেক, প্রজাপতি পার্ক প্রভৃতি স্থান ঘুরে দেখেন। এ সময় বন্য প্রজাতি সংরক্ষণ কেন্দ্র সংলগ্ন জলাশয়ে নানা প্রজাতির অতিথি পাখির জলকেলি, ডানা ঝাপটানো আর আকাশে উড়াউড়ি দেখে বিমুগ্ধ হন।

এর আগে রবিবার বেলা আড়াইটার দিকে তিনি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলামের বাসভবনে আসেন। এ সময় উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম তাঁদের স্বাগত জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে নোবেল জয়ী বিশ্ব বরন্য ব্যক্তির আগমনে বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার মহাখুশি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য আজ এক ঐতিহাসিক ও গৌরবের দিন। তাঁর আগমনে বিশ্ববিদ্যালয় গৌরবান্বিত হয়েছে। উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা উপহার প্রদান করেন।

dsc_0392
নাইপলের হাতে প্রকৃতি ও পাখির স্কেচ করা একটি চিত্রকর্ম উপহার হিসেবে তুলে দিচ্ছেন উপাচার্য অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম

এ সময় উপাচার্যের স্বামী কথা সাহিত্যিক আখতার হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. আবুল খায়ের, বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও রেজিস্ট্রার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাম্পাস ত্যাগের আগে স্যার ভি এস নাইপল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আতিথেয়তা ও আন্তরিকতার ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বলেন,  জাহাঙ্গীরনগরের প্রাকৃতিক শোভায় মুগ্ধ হয়ে নাইপল উপাচার্য ফারজানা ইসলামকে বলেন, “আপনাদের এই ক্যাম্পাস খুব সুন্দর”। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ও পাখি তাঁর স্মৃতিতে অম্লান থাকবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বাংলা একাডেমিতে চলমান সাহিত্যিকদের সম্মেলন ‘লিট ফেস্ট’ এ অংশ নিতে গত ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশে আসেন নাইট উপাধিপ্রাপ্ত এই ব্রিটিশ লেখক। তিনি ২০০১ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। এর আগে ১৯৭১ সালে তিনি বুকার পুরষ্কার জিতেন।

LEAVE A REPLY