সোসাইটিনিউজ ডেস্ক:
চাদঁপুরে শীতের আগাম ফসল হিসেবে মতলব উত্তর উপজেলার গজরা ইউনিয়নের বদ্যনাথপুর গ্রামের কবির হোসেন খিরা চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন।

তিনি জানান, ২৪ শতক জমিতে আগাম খিরার চাষ করতে তার ১০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে এবং বাজারজাত করতে শ্রমিক খরচ আরো ৫ হাজার টাকা। ইতোমধ্যে ৭ দিনে তিনি ২১ হাজার টাকার খিরা বিক্রি করেছেন। ক্ষেত থেকে তোলা যাবে আরো ৪০ হাজার টাকার খিরা।

খিরা একটি উপাদেয় ফল এবং সবজি। গুল্মজাতীয় সবজির মধ্যে শসার মতো খিরাই একমাত্র কাঁচা খাওয়ার উপযোগী ফল। খিরা সালাদের উপকরণ হিসেবেও ব্যবহৃত হয়। গরমে পানির তৃষ্ণা মেটানোর পাশাপাশি শরীরের চর্বি কমাতেও সহায়ক খিরা।

কৃষকরা জানান, বাংলা বর্ষের কার্তিক মাসের শুরু থেকে জমিচাষ ও সার প্রয়োগের মাধ্যমে আগাম খিরা চাষের জমি তৈরি করা হয়। বাজারে দেশীয় উফশী ও হাইব্রিড দুই জাতের খিরা চাষ হয়ে থাকে। জমিতে বীজ বপণের ১০-১৫ দিনের মাথায় চারা গজায়।

১ মাসের মাথায় খিরা গাছে ফুল ও ফলের প্রাথমিক লক্ষণ দেখা যায় এবং দেড়মাস পূর্ণ হওয়ার পর গাছ থেকে খিরা সংগ্রহ করা হয়। বাজারে বর্তমানে ২০-২৫ টাকা কেজি দরে ‘খিরা’ বিক্রয় হচ্ছে।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে খিরা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। কৃষক জমিতে খিরার আগাম চাষ হয়েছে। উপজেলার চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন ইউনিয়নে খিরা চাষ হয়ে থাকে।

কৃষক নাজির হোসেন  আরো জানান, চলতি আমন ধান কাটার পর ওই জমিতে আরো খিরার চাষ করবেন। তার মতো উত্তর বদ্যনাথপুর এলাকার আবদুল, বাদশা কাজি, নজরুল সরকার, মনির আগাম খিরার চাষ করে লাভের মুখ দেখছেন।

মতলব উত্তর উপজেলা কৃষি অফিসার মোহাম্মদ আবদুল কাইয়ুম মজুমদার জানান, অল্প সময়ে স্বল্প বিনিয়োগে খিরা চাষে অধিক লাভ করা যায়। তাই প্রতিবছরই নতুন নতুন কৃষক খিরা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

LEAVE A REPLY