ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সহ-সম্পাদক দিয়াজ ইরফান চৌধুরীর মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেছে তার মা জাহেদা আমিন চৌধুরী।

মামলায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর আনোয়ার হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি আলমগীর টিপুসহ ১০জনকে আসামি করা হয়েছে।  মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে

মামলায় অন্য আসামিরা হলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জামশেদুল আলম চৌধুরী, বর্তমান প্রচার সম্পাদক রাশেদুল আলম জিসান, ছাত্রলীগ কর্মী আবু তোরাব পরশ, মনসুর আলম, আবদুল মালেক, মিজানুর রহমান, আরিফুল হক অপু ও মোহাম্মদ আরমান।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট শিবলু কুমার দের আদালতে মামলাটি দায়ের করা হয়। পরে শুনানি শেষে আদালত সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দেন।

দিয়াজের বড় বোন অ্যাডভোকেট জুবাঈদা সরওয়ার চৌধুরী নিপা বলেন, আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে সিআইডিকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ৩০ দিনের মধ্যে সিআইডিকে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অতীতে যারা আমাদের বাসায় হামলা চালিয়েছিল, ভাংচুর করেছিল তাদের সবাইকে মামলার আসামি করা হয়েছে। সহকারী প্রক্টর আনোয়ার এবং ছাত্রলীগ সভাপতি আলমগীর টিপুকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনা প্রকাশ পাব। সবার মুখোশ খুলে যাবে। হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কারা কারা ছিল সেটা চিহ্নিত হবে।

উল্লেখ্য, ২০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিজ বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ঝোলানো অবস্থায় দিয়াজের মরদেহ দেখা যায়। পরে রাত সাড়ে ১২টায় মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

বুধবার দিয়াজের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দিয়াজ আত্মহত্যা করেছেন। তবে দিয়াজের পরিবার এই ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন প্রত্যাখান করেন।

LEAVE A REPLY