আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরাকে শিয়া মিলিশিয়া বাহিনীকে বৈধতা দেওয়া হয়েছে। শনিবার ইরাকের পার্লামেন্টে পপুলার মবিলাইজেশন ফোর্সেস কমিশন গঠনকে বৈধতা দিতে একটি বিল উত্থাপন করা হয়। বিলটি পার্লামেন্টের ৩২৭ সদস্যের মধ্যে ২০৮ জনের সমর্থন পেয়ে পাশ হয়।

এই বিল পাশের ফলে এখন থেকে ওই শিয়া মিলিশিয়ারা সেনাবাহিনী এবং পুলিশের মতোই বেতন ও পেনশন ভোগ করতে পারবেন। ওই শিয়া মিলিশিয়াদের সংখ্যা এক লাখেরও বেশি। বর্তমানে বেশিরভাগ মিলিশিয়া মসুলে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)-এর সঙ্গে যুদ্ধ করছে।

২০১৪ সালের জুনে আইএস জঙ্গিরা মসুল নগরী দখল করে নেয়। ইরাকের দ্বিতীয় বৃহত্তম এই নগরীতে এখনও প্রায় ১৫ লাখ মানুষ রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ১৭ অক্টোবর ভোরে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে আনুষ্ঠানিকভাবে মসুল পুনরুদ্ধার অভিযান শুরুর ঘোষণা দেন ইরাকি প্রধানমন্ত্রী হায়দার আল-আবাদি। এরপর ইরাকি সেনা ও পুলিশ বাহিনী, শিয়া মিলিশিয়া এবং কুর্দি বাহিনী যৌথভাবে মসুল পুনরুদ্ধারের অভিযান শুরু করে।

জানা গেছে, মসুলের একটা গুরুত্বপূর্ণ শহর তাল আফার দখল করে নিয়েছে ইরাকি বাহিনী। এর ফলে মসুলে আইএস-এর রসদ সরবরাহ বন্ধ হয়ে পড়েছে।

তবে সমালোচকদের মতে, এ বিল পাশ হওয়ার ফলে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকে সম্প্রদায়গত বিভেদ আরো স্পষ্ট হবে। দেশটির সুন্নি আরব রাজনীতিবিদ ও আইনপ্রনেতাদের জোটের ভাইস প্রেসিডেন্ট ওসমান আল নুজাইফি এ বিলের বিরোধীতা করে বলেন, ‘এ বিলের ফলে ইরাকে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিয়াদের একনায়কতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে।’

প্রসঙ্গত, দেশটিতে শিয়া মিলিশিয়াদের সংখ্যা এক লাখের বেশি। বর্তমানে এ মিলিশিয়ারা দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মসুলে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিয়োজিত রয়েছে। খবর আলজাজিরা।

LEAVE A REPLY