ফিলিস্তিনের স্বাধীনতার প্রতি বঙ্গবন্ধুর জোরালো সমর্থনের কথা স্মরণ করে ঢাকায় নিযুক্ত দেশটির শার্জ দ‌্য অ‌্যাফেয়ার্স ইউসুফ এস রামাদান বাংলাদেশের মানুষের কাছ থেকেও সবসময় এমন সমর্থন প্রত‌্যাশা করেছেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘প্যালেস্টাইন প্রত্যাগত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের’ উদ্যোগে মঙ্গলবার এক সংহতি মিছিলের আগে বক্তব‌্য দিচ্ছিলেন ফিলিস্তিনি এই কূটনীতিক।

রামাদান বলেন, “বঙ্গবন্ধু ফিলিস্তিনের স্বাধীনতা আন্দোলনের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় আমরা আজও বাংলাদেশের মানুষের সমর্থন চাই।”

তিনি বলেন, “আমাদের লক্ষ্য স্বাধীনতা। এই লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর‌্যন্ত আমরা আমাদের সংগ্রাম থেকে সরে আসব না।”

মিছিলপূর্ব সংক্ষিপ্ত সমাবেশে সভাপতির প্যালেস্টাইন প্রত্যাগত মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান জিয়াউল কবির দুলু বলেন, “অন্যান্য জাতি ও দেশের মত ফিলিস্তিনীদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার ও স্বাধীন থাকার অধিকার রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার বিকল্প হলো ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান। জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিনী রাষ্ট্রকে বিশ্ববাসীকে মেনে নিতেই হবে।”

এ আয়োজনে মুক্তিযোদ্ধারা ইয়াসির আরাফাত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, আল-আকসা মসজিদের ছবি এবং বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের জাতীয় পতাকা, ফেস্টুন, প্লেকার্ড, ব্যানার নিয়ে ফিলিস্তিনের জনগণের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন।

ফিলিস্তিনের মুক্তিসংগ্রামে অংশ নিয়ে শহীদ হওয়া বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে ঢাকায় স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ এবং ফিলিস্তিনের প্রয়াত প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের নামে ঢাকায় একটি সড়কের নামকরণ করার দাবি জানান সংগঠনের মহাসচিব এবি সিদ্দিক মোল্লা।

পরে এবি সিদ্দিক  জানান, ১৯৮২ সালে ইসরাইলের সঙ্গে যুদ্ধে কয়েক হাজার বাঙালি অংশ নেন। ওই যুদ্ধে ৪৭৪ জন বাঙালি ইসরাইলের হাতে বন্দীও হন, যাদেরকে পরে আন্তর্জাতিক রেডক্রসের মাধ্যমে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়।

এবি সিদ্দিক জানান, তিনি নিজেও ওই বন্দীদের একজন ছিলেন।

LEAVE A REPLY