ক্রীড়া ডেস্ক

ইংলিশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের টেবিলে শীর্ষস্থানে অবস্থান পোক্ত করেছে চেলসি। হাইভোল্টেজ ম্যাচে তারা ৩-১ গোলে হারিয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি’কে। এমিরেটস স্টেডিয়ামে উপভোগ্য ম্যাচের শুরুতে দু’দলই ছিলো আক্রমণের মেজাজে।

প্রথমার্ধের শেষ মিনিটে  চেলসি’র ডিফেন্ডার গ্যারি কাহিলের আত্মঘাতি গোলে ম্যানচেস্টার সিটি ১-০ গোলে এগিয়ে যায়। তবে দৃশ্যপট পাল্টে যায় দ্বিতীয়ার্ধে। ব্যর্থতার ষোলো কলা পূর্ণ হলো ম্যাচ শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তের দুই লাল কার্ডে। দাভিদ লুইজকে বাজেভাবে ফাউল করায় সরাসরি লাল কার্ড দেখলেন সের্হিয়ো আগুয়েরো, আর ওই ফাউলের সময় হাতাহাতিতে জড়িয়ে আগুয়েরোর মতো একই পরিণতি বরণ মাঠ ছাড়েন সতীর্থ ফের্নান্দিনিয়ো। ম্যানচেস্টার সিটি দুই খেলোয়াড়কে হারানোর আগেই অবশ্য নির্ধারণ হয়ে গিয়েছিল ইতিহাদের ম্যাচের ফল। যেখানে সফরকারী চেলসির কাউন্টার অ্যাটাকিং ফুটবলে খেই হারানো ম্যানসিটি বিধ্বস্ত ৩-১ গোলে। তাতে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থানটা সুসংহত হলো চেলসির। ১৪ ম্যাচ শেষে ব্লুদের পয়েন্ট ৩৪, সমান ম্যাচে ৩০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় স্থানে ম্যানসিটি।

উত্তেজনাকর লড়াইয়ে প্রথমার্ধের পারফরম্যান্সে এগিয়ে ছিল ম্যানসিটি। বলের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের কাছে নিয়ে বারবার পরীক্ষা নিচ্ছিল চেলসির রক্ষণের। বিপরীতে সফরকারীরা উঠে আসছিল প্রতি আক্রমণে। যদিও সুবিধা করতে পারছিল না সুযোগ নষ্ট করায়। অবশ্য বিরতিতে যাওয়ার আগ মুহূর্তে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরাই। চেলসির ডিফেন্ডার গ্যারি কাহিলের আত্মঘাতি গোলেই তো লিড নেয় সিটিজেনরা।

বিরতি থেকে ঘুরে এসেও বেশ কয়েকবার চেলসির রক্ষণের পরীক্ষা নিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। তারা সফল না হলেও চেলসি ঠিকই ঘুরে দাঁড়ায় ৬০ মিনিটে, যখন ডিয়েগো কোস্তার লক্ষ্যভেদে সমতায় ফেরে সফরকারীরা। মিনিট দশেক পর তো এগিয়েই যায় চেলসির। প্রতি আক্রমণে কোস্তার পাস থেকে ডান প্রান্ত থেকে আড়াআড়ি শটে বল জালে জড়িয়ে দেন উইলিয়াম। পিছিয়ে পড়া স্বাগতিকরা ম্যাচে ফেরার চেষ্টা চালিয়ে তো পারেইনি, উল্টো নির্ধারিত সময়ের শেষ মিনিটে ধাক্কা খায় এডেন হ্যাজার্ড জাল খুঁজে পেলে। এই গোলটাও ছিল প্রতি আক্রমণ থেকে। নিজেদের অর্ধ থেকে মার্কোস আলোনসোর বাড়ানো লম্বা পাস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করেন বেলজিয়ান ফরোয়ার্ড।

LEAVE A REPLY