সরকারি মহিলা কলেজের স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিস হত্যাচেষ্টার আলোচিত মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। দ্রুত বিচার শেষ করতে সব সাক্ষীকে গত ২৯ নভেম্বর সাক্ষ্য দিতে সমন ইস্যু করেন সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আাদালতের বিচারক মো. সাইফুজ্জামান হিরো।

ওইদিন একমাত্র বদরুল আলমকে (২৯) অভিযুক্ত করে চার্জগঠন (অভিযোগপত্র গঠন) করে আজ সোমবার সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ নির্ধারণ করেন। এ মামলায় মোট ৩৭ জন সাক্ষী। এর বাইরে মামলার বাদীও সাক্ষ্য দেবেন। মামলার চার্জশিটে দ্বিতীয় সাক্ষী হচ্ছেন খাদিজা আক্তার নার্গিস।

সোমবার প্রথমদফার সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে পরবর্তীতে টানা সাক্ষ্যগ্রহণের তারিখ ধার্য হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে আদালতের অতিরিক্ত সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) মাহফুজুর রহমান জানিয়েছেন। জানা যায়, খাদিজার ওপর হামলার পর মামলা হওয়ার এক মাস পাঁচ দিনের মাথায় মহানগর পুলিশের শাহপরান থানার উপপরিদর্শক হারুনুর রশিদ গত ৮ নভেম্বর অভিযোগপত্র (চার্জশিট) আদালতে দাখিল করেন। ১৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোপত্রের শুনানি শেষে তা গৃহীত হয়।

সিলেট মহানগরের অতিরিক্ত বিচারিক হাকিম উম্মে সরাবন তহুরা এক আদেশে মামলাটি মুখ্য মহানগর বিচারিক হাকিম আদালতে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়ে ২৯ নভেম্বর অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ ধার্য ছিল।

ওইদিন সিলেটের চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান হিরোর আাদালতে বেলা ১১টায় একমাত্র আসামি বদরুল আলমকে হাজির করা হয়। আসামির কাঠগড়ায় উপস্থিত বদরুলের সামনেই অভিযোগ গঠনের শুনানি হয়। প্রায় আধা ঘন্টার মধ্যে শুনানি শেষে ৩২৪, ৩২৬ ও ৩০৭ ধারায় অভিযোগ গঠন হয়। অভিযোগ গঠনের আগে বদরুলের পক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। পরে বদরুলকে আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়।

LEAVE A REPLY