পাকিস্তানের কটন ক্রপ অ্যাসেসমেন্ট কমিটি (সিসিএসি) এবার ১ কোটি ১০ লাখ ৩৯ হাজার বেল তুলা উৎপাদন লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে। চলতি মৌসুমে এরই মধ্যে পাকিস্তানে তুলা উৎপাদন গতবারের ফলনকে ছাড়িয়ে গেছে। দেশটির জিনাররা ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত সংগ্রহ করেছেন ৯৭ লাখ ৭৮ হাজার বেল তুলা। গত মৌসুমজুড়ে তারা ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার বেল তুলা সংগ্রহে সক্ষম হয়েছিলেন। পাকিস্তান কটন জিনার্স অ্যাসোসিয়েশন (পিসিজিএ) সম্প্রতি এ তথ্য জানিয়েছে। খবর ফাইবার টু ফ্যাশন।

অল পাকিস্তান টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (এপিটিএমএ) ও করাচি কটন অ্যাসোসিয়েশনের (কেসিএ) সহযোগিতায় তুলা সরবরাহ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে পিসিজিএ। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত মৌসুমের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত পাকিস্তানি জিনাররা ৮৬ লাখ ৩১ হাজার বেল তুলা সংগ্রহ করেছিলেন। এবার তা বেড়েছে ১৩ দশমিক ২৮ শতাংশ। পাকিস্তানে সবচেয়ে বেশি তুলা উত্পন্ন হয় পাঞ্জাবে। ২০১৬-১৭ মৌসুমের ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এ প্রদেশ থেকে তুলা সরবরাহ চলতি মৌসুমে ২০ দশমিক ৬৯ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ লাখ ৫৮ হাজার বেলে। এছাড়া সিন্ধু প্রদেশ থেকে সরবরাহ ২ দশমিক ৫৭ শতাংশ বেড়ে পৌঁছে ৩৬ লাখ ১৯ হাজার বেলে। ৯৭ লাখ ৭৮ হাজার বেলের মধ্যে ৮৯ লাখ বেল বিক্রি করে দিয়েছেন গিনাররা। বাকি ১০ লাখ ৩১ হাজার বেল মজুদ রেখেছেন তারা।

পিসিজিএর প্রতিবেদন বলছে, পাকিস্তানের বস্ত্র কারখানাগুলোয় ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যবহার হয়েছে ৭৬ লাখ ৮৩ হাজার বেল তুলা। বাকি ১ লাখ ৮৪ হাজার ৯৪৪ বেল রফতানিকারকদের কাছে বিক্রি করেছেন তারা।

পাকিস্তানে ২০১৫-১৬ মৌসুমে তুলা উৎপাদন ৩৪ দশমিক ২৮ শতাংশ কমে দাড়িয়েছিল ৯৭ লাখ ৬৮ হাজার বেল। ২০১৪-১৫ মৌসুমে দেশটিতে উৎপাদন হয় ১ কোটি ৪৮ লাখ ৭১ হাজার বেল তুলা।

LEAVE A REPLY