ক্রীড়া ডেস্ক

লিভারপুলের বিপক্ষে আগের নয়বারের মুখোমুখি লড়াইয়ে কোনো জয় ছিল না বোর্নমাউথের। কিন্তু এবারের মুখোমুখি ম্যাচে যে নতুন কিছু অপেক্ষা করছে তা কে জানতো।

রোববার স্থানীয় সময়ে দুপুরে নিজেদের মাঠে ৭ গোলের রোমাঞ্চকর লড়াইয়ে শিরোপাপ্রত্যাশী লিভারপুলকে ৪-৩ ব্যবধানে হারায় বোর্নমাউথ। প্রতিপক্ষের মাঠে প্রথম দিকেই দুই মিনিটের মধ্যে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় লিভারপুল। ২০তম মিনিটে এমরে কানের উঁচু করে বাড়ানো বল আলতো টোকায় জালে পাঠান সাদিও মানে।

দ্বিতীয় গোলটিতে বড় দায় বোর্নমাউথ গোলরক্ষকের। জর্ডান হেন্ডারসন মাঝ মাঠের আগে থেকে ডান দিক দিয়ে দিভোক ওরিগির উদ্দেশে বল বাড়িয়েছিলেন। বেলজিয়ামের এই ফরোয়ার্ডকে ঠেকাতে কাছাকাছি কোনো ডিফেন্ডার ছিল না। সে জন্যেই কিনা নিজের সীমানা ছেড়ে বেরিয়ে এসেছিলেন পোলিশ গোলরক্ষক আর্তুর বোরুচ। তাকে কাটিয়ে কঠিন কোণ থেকে বল জালে পাঠান ওরিগি।

৫৬তম মিনিটে সফল স্পটকিকে ব্যবধান কমান ইংলিশ ফরোয়ার্ড ক্যালাম উইলসন। স্বাগতিকদের ব্যবধান কমানোর স্বস্তি অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেনি। ৬৪তম মিনিটে ডি-বক্সে ঢুকে পড়া সেনেগালের ফরোয়ার্ড মানের দেওয়া পাস পেয়ে বুলেট গতির শটে লক্ষ্যভেদ করেন জার্মান মিডফিল্ডার কান।

নাটকীয়তার তখনও ছিল ঢের বাকি। দুই মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল করে সমতা টানে দ্বাদশ স্থানে থেকে খেলতে নামা বোর্নমাউথ।

৭৬তম মিনিটে দারুণ এক প্রতি-আক্রমণে আরেক বদলি খেলোয়াড় বেনিক অ্যাফোবের পাস পেয়ে জোরালো শটে ব্যবধান কমান ফ্রেজার। ৭৮তম মিনিটে ডান দিক থেকে আসা ক্রস ছয় গজ বক্সের সামনে পা উঁচিয়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে জালে জড়ান ইংলিশ ডিফেন্ডার স্টিভ কুক।

আর যোগ করা সময়ে নিজেদের ফুটবল ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করা গোলটি করেন নাথান আকে। ডান দিক থেকে কুকের শটে বল ফসকে যায় জার্মান গোলরক্ষক লরিস কারিউসের তার হাত থেকে। সামনেই থাকা নেদারল্যান্ডসের ডিফেন্ডার আকে ভুল করেননি।

অসাধারণ এই জয়ে ১৪ ম্যাচে ১৮ পয়েন্ট নিয়ে দশম স্থানে উঠে এসেছে বোর্নমাউথ। তৃতীয় স্থানে থাকা লিভারপুলের পয়েন্ট ৩০।

LEAVE A REPLY