প্রায় নয় মাস পর আবারো সিরিয়ার প্রাচীন নগরী পালমিরা দখল করেছে জঙ্গি গোষ্ঠী ইসলামিক স্টেট (আইএস)। পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো জানিয়েছে, পালমিরা দখলে আইএস জঙ্গি আর সরকারপন্থী বাহিনীর মধ্যে এখনো লড়াই চলছে। সূত্র: বিবিসির।

বহু সরকারি সৈন্য ওই এলাকা থেকে পালিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে দু’পক্ষের লড়াইয়ে সেখানকার বেসামরিক নাগরিকরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাদের অবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে পর্যবেক্ষক সংস্থাগুলো।

নয় মাস আগে অর্থাৎ গত মার্চে রুশ সেনাবাহিনীর সহায়তায় আইএসের দখল থেকে মরু শহর পালমিরার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল সিরীয় বাহিনী। সে সময় ওই ঘটনাকে আইএসের বিরুদ্ধে বড় ধরণের বিজয় বলে বর্ণনা করা হয়েছিল।

পালমিরা পুনর্দখলের পর আলেপ্পো আর দামেস্কের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকার দিকে অভিযান শুরু করে সিরীয় বাহিনী। এই সুযোগে এক সপ্তাহ আগে থেকে পালমিরা দখলে নামে জঙ্গিরা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, গোপনে সংঘবদ্ধ হয়ে সুযোগের অপেক্ষায় ছিল জঙ্গিরা। তারা সময় মতো সুযোগ কাজে লাগিয়ে পালমিরা দখল করে নিয়েছে।

আইএসের অভিযানে কমপক্ষে ৫০ জন সামরিক সদস্য নিহত হয়েছে। তবে বেশিরভাগ সরকারি সৈন্যই পালিয়ে গেছে। কাছের তেলক্ষেত্রগুলোর নিয়ন্ত্রণ আর সরবরাহ পথের উপর হওয়ার কারণে কৌশলগতভাবে বেশ গুরুত্বপূর্ণ পালমিরা শহর।

পালমিরা শহরের স্থানীয় এক বাসিন্দা জানিয়েছেন, জঙ্গিরা শহরের সব গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় অবস্থান নিয়েছে। তবে এখনো শহরের কেন্দ্রে সামরিক বাহিনীর সঙ্গে তাদের লড়াই চলছে।

এদিকে, আলেপ্পোয় বিদ্রোহীদের ক্ষেত্রে মহত্ত্ব প্রদর্শনের জন্য সিরিয়া আর রুশ বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি।

আলেপ্পোর মানুষ যেন গণহত্যার শিকার না হয় সেজন্য মার্কিন আর রুশ সেনা বিশেষজ্ঞরা কাজ করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।

LEAVE A REPLY