মো: সাঈদ মাহাদী সেকেন্দার:
মোহাম্মদপুর কাদেরিয়া মাদ্রাসার বিপরীত পাশে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত শামসুল ইসলাম লিখনদের বাড়ি।দুই ভাই মা এবং এক বোনের পরিবার।
শনিবার পুলিশ তাদের বাড়িতে সার্চ করতে যায়।লিখনদের বাড়িতে পুলিশ এর আগেও কয়েকদফা গিয়েছে।লিখন শনিবার বাড়িতে ছিলেন। এস আই শফিক আবারো তার বাড়িতে আসেন।লিখন শফিকের কাছে সার্চ ওয়ারেন্ট দেখতে চাই। এস আই শফিক তখন লিখনের উপর রেখে যায় এবং এক পর্যায়ে লিখনকে পিটাতে থাকে।এমনটি জানান লিখনের মা মনোয়ারা বেগম।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় লিখন যে রুমে পড়ছিল সেই রুমে টেবিলের উপর বই,খাতা, কলম ও পরিক্ষার সাজেশন পড়ে আছে।লিখনের বেন বলেন লিখন জবি শিক্ষার্থী হিসেবে নিজেকে পরিচয় দেওয়াতে এস আই শফিক ক্ষেপে যায়, শফিক বলেন তোর জগন্নাথকে পাইয়ের নিচে রাখি।আমি নানকের ভাতিজা।আমার মাকে ধাক্কা মেরে আমার ভাইকে মারতে মারতে নিয়ে যায়।কান্নাজড়িত কন্ঠে তিনি আরও বলেন আমাদের প্রতি নিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে।

এবিষয়ে খোঁজ নিতে মোহাম্মদপুর থানায় গিয়ে এস আই শফিককে পাওয়া যায়নি। তাকে কয়েকবার ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেননি।
অফিসার ইনচার্য মো: জালালউদ্দিন মীর বলেন লিখনের বাড়িতে ওয়ারেন্ট অাসামি ধরতে যায় পুলিশ।সেখানে লিখন পুলিশের উপর হামলা চালায়।ফলে পুলিশ বাদিহয়ে মামলা করেছে।
লিখনকে টর্চার করা হয়েছে,সে হাটতে পারছেনা,পুলিশ কি নির্যাতন করেছে?
এমন প্রশ্নের জবাবে ওসি বলেন পুলিশ নির্যাতন করতে যাবে কেন! লিখনকে জনগণ গণধোলাই দিয়েছে,পুলিশ তাকে উদ্ধার করেছে।
জনগণ কেন তাকে গণধোলাই দিয়েছে? এমন প্রশ্নের সদুওর তিনি দিতে পারেননি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন লিখনকে পুলিশ সকলের সামনে বেধড়ক পিটিয়েছে।তবে এ বিষয়ে পুলিশের ভয়ে কেউ মুখ খুলছেনা।
জবি প্রক্টর ড.নূর মোহাম্মদ বলেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টি দেখবে, আমি ওসির সাথে কথা বলবো।
উল্লেখ্য ৫ দিন জেল হাজতে থেকে আজ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন শামসুল ইসলাম লিখন।

LEAVE A REPLY