মেসির জ্বলে ওঠার দিনে প্রতিপক্ষ শিবিরের যে কিছুই করার থাকে তা হারে হারে টের পেলো এসপানিওল। নিজে করলেন এক গোল আর সতীর্থকে দিয়ে করালেন দুই গোল। আর এতেই ৪-১ গোলে উড়ে গেলো নগর প্রতিদ্বন্দ্বীরা। আর জয় দিয়েই বছর শেষ করলো লা লিগার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা।

লা লিগায় বছরের শেষ ম্যাচে ঘরের মাঠে শুরু থেকেই চেপে ধরে মেসি-সুয়ারেসরা। এরই ধারাবাহিকতায় ম্যাচের ১৮ মিনিটে গোল করে দলকে লিড এনে দেন সুয়ারেস। আন্দ্রেস ইনিয়েস্তার দারুণ পাসে কোনাকুনি শটে গোল করে স্বাগতিক দর্শকদের উল্লাসে মাতান উরুগুয়ের এই তারকা।

ম্যাচের ২৯ মিনিটে মেসি আর প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে নেইমার গোল মিস করলে ১-০ গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বার্সা। বিরতি থেকে ফিরে ম্যাচের ৫০ মিনিটে দারুণ একটি সুযোগ হাতছাড়া করেন সুয়ারেজ। মেসির দারুণ পাসে গোলরক্ষককে ফাঁকি দিতে পারেননি এই তারকা স্ট্রাইকার।

messi-1

ম্যাচের ৬৭ মিনিটে চারজনকে কাটানো পর মেসির নেওয়া শট কোনোমতে ঠেকান এসপানিওলের বদলি গোলরক্ষক। তবে ফিরতি বলে গোল করতে ভুল করেননি সুয়ারেজ। ম্যাচের ৬৯ মিনিটে আবাবো মেসির জাদু। দুর্দান্ত ভাবে বল নিয়ে ডি বক্সের গিয়ে শেষ মুহূর্ত নিয়ন্ত্রণ হারালেও বল পাঠান জর্দি আলবার কাছে। স্প্যানিশ ডিফেন্ডারের জোরালো শটে স্কোর লাইন হয়ে যায় ৩-০।

ম্যাচের ৭৯ মিনিটে গোল করে ব্যবধান কমান লোপেজ। ম্যাচের শেষ দিকে এবার নিজে গোল করেন মেসি। সতীর্থের কাছ থেকে বল ফিরে পেয়ে গোলরক্ষকের দুই পায়ের মাঝ দিয়ে লিগে বল জালে পাঠান তিনি। এ জয়ে রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে ব্যবধান কমিয়েছে বার্সেলোনা। ১৬ ম্যাচে দলটির পয়েন্ট ৩৪। এক ম্যাচ কম খেলা জিনেদিন জিদানের দলের পয়েন্ট ৩৭।

LEAVE A REPLY