সোসাইটিনিউজ ডেস্ক:
সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস বলেছেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী মাহবুবুল হক শাকিলের অবদান অতুলনীয়। আধুনিক যুগে দেশককে এগিয়ে নেওয়ার জন্য শাকিলের মতো মানুষ প্রয়োজন।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ও শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) মাহবুবুল হক শাকিলের ৪৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

গোলাম কুদ্দুস বলেন, শাকিল শুধু একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, তিনি একাধারে লেখক, কবি ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তার মননশীল লেখা, কবিতা আমাদের অনু্প্রেরণা যোগাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ সহকারী থাকায় শাকিল নানাভাবে নেত্রীকে সহযোগিতা করেছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী তাকে নিজের সন্তানের মতো ভাবতেন।

সাংবাদিক আবেদ খান বলেন, শাকিলের অকাল মৃত্যু আমাদের জন্য কষ্টের আর বেদনার। তিন শুধু একজন সৎ রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, ছিলেন একজন লেখক ও কবি। তার আচার-ব্যবহারে সব লেখক, কবি, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিরা তার বন্ধু হতে পেরেছিলেন। তার মৃত্যতে যে একটা শূন্যতা তৈরি হয়েছে সেটা পূরণ হবে কি না সেটা আমার জানা নেই।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে থাকাকালে আমি ঢাকায় আসতাম। তখন থেকেই শাকিলের সঙ্গে আমার পরিচয়। আমি জাকসুর ভিপি হওয়ার সময় তার লেখা, প্রচারণা আমাকে অনেক সাহায্য করেছিল। আমি ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতা হওয়ার পরে তার সঙ্গে আমার সম্পর্কটা হয় বন্ধুত্বপূর্ণ। আমি যখন কোনোকিছু লেখার চেষ্টা করতাম, তখন শাকিল আমাকে লেখা শিখিয়ে দিত।

কবি হাবিবুল্লাহ সিরাজি বলেন, আমার সঙ্গে শাকিলের ওঠা-বসা প্রায় ১৮ বছরের। কে তরুণ, কে শিশু, কে বৃদ্ধ সেটা তিনি ভাবতেন না। যে শব্দটি সে জানতেন সেটা হলো- ভালবাসা। তিনি সবার সঙ্গেই ভালবাসা, মাধুর্য দিয়ে কথা বলতেন।

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন বলেন, গণজাগরণ মঞ্চসহ বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে শাকিল ভাই নেতৃত্ব দিয়েছেন। আমাদের ছাত্রলীগকে তাকে অনুসরণ করে আগামীতে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে এগিয়ে নিতে হবে।

বন্ধু, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহযোদ্ধাদের আয়োজনে স্মরণসভায় আরো বক্তব্য রাখেন- কবি শুভাশিস রায়, প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা আফজালুর রহমান, ড. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

 

 

 

LEAVE A REPLY