রাজধানীর আশকোনার জঙ্গি আস্তানায় নিহত কিশোর জঙ্গি আদরের লাশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

রোববার বেলা ১১টার পর থেকে ‘সূর্য ভিলা’ নামের ওই ভবনে কাজ শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিস। দুপুর ১টা পর্যন্ত সেখানকার একটি কক্ষে আদরের লাশ রয়েছে।

দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এক ব্রিফিংয়ে সোয়াট টিমের ডিসি প্রলয় জোয়ার্দার জানান, ফায়ার সার্বির একটি দল ভবনের ভেতরে ঢুকেছে। তারা কাজ করছে।

তিনি বলেন, ‘ভবনের একটি কক্ষে এখনও প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। কারণ অভিযানের সময় পুলিশের ছোঁড়া ক্যাদানে গ্যাস রুমে আটকে আছে। ওই রুমে জঙ্গি আদরের লাশ রয়েছে।’

প্রলয় জোয়ার্দার জানান, ভবনে আপাতত দৃশ্যমান ৫টি গ্রেনেড দেখা গেছে। দুটি খুবই বিপজ্জনক আর ২টি আত্মঘাতী গ্রেনেড।

জঙ্গিবিরোধী এ অভিযানের পর পূর্ব আশকোনা এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। সকালে সেখানে গেছে কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট, ক্রাইম সিন ইউনিট, সোয়াট টিম, সিআইডির ফরেনসিক ইউনিট ও ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট।

উল্লেখ্য, শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত ১৭ ঘণ্টার এ অভিযানে আত্মসমর্পণ করে দুই শিশু সন্তানসহ দুই নারী। তারা হচ্ছে- সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত হওয়া মেজর জাহিদ ওরফে মুরাদের স্ত্রী জেবুন্নাহার শিলা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)। আরেকজন হচ্ছে জঙ্গি মুসার স্ত্রী তৃষ্ণা ও তার সন্তান (নাম অজ্ঞাত)।

এছাড়া গ্রেনেড বিস্ফোরণে গুরুতর আহতাবস্থায় আস্তানার ভেতর থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সাবিনা নামের ৪ বছরের এক শিশুকে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটি) এ অভিযান পরিচালনা করে।

LEAVE A REPLY