শীর্ষ জঙ্গিনেতা মুসাকে ধরার চেষ্টা করছি আমরা। শিগগিরই তাকে আমরা গ্রেফতার করতে পারবো। এমনটাই আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া ।

রোববার সকালে কাকরাইলের সেন্ট মেরি চার্চ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় ডিএমপি কমিশনারকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান ফাদার বেনযামিন কস্তা।

তিনি বলেন, আশকোনার ঘটনা নতুন কিছু নয়। এটি গুলশান হামলারই ধারাবাহিকতা। বাংলাদেশের মাটিতে অতীতে কখনও জঙ্গিবাদ টিকতে পারেনি। এখনও পারবে না। আমরা ইতোমধ্যে জঙ্গিদের দুর্বল করে ফেলেছি। তারা আর সংগঠিত হতে পারবে না।

জঙ্গিরা এসব বিস্ফোরক দ্রব্য কোথায় পাচ্ছে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, কোথা থেকে আসছে তা বলা যাচ্ছে না। এগুলো বাইরের দেশ থেকে আমদানিও হতে পারে। আবার দেশের ভেতর থেকেও কেউ সরবরাহ করতে পারে। তবে বিষয়টি আমরা তদন্ত করছি। তদন্ত একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছে।

আসাদুজ্জামান মিয়া বলেন, জঙ্গিরা প্রকাশ্যে কোনও রাজনৈতিক দল করে না। এমনকি তাদের সাংগঠনিক কাঠামোও নেই। তবে তাদেরকে ইন্ধন দিচ্ছে তা সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না।

উল্লেখ্য, গত ১০ সেপ্টেম্বর লালবাগের আজিমপুরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায়। পুলিশের ভাষ্য মতে, সেখানে অভিযান চালালে জঙ্গি তানভীর কাদেরী ওরফে জমসেদ ওরফে আব্দুল করিম ওরফে সিপার ওরফে তৌফিক গ্রেফতার এড়াতে আত্মহত্যা করে। তানভীর কাদেরীর মৃত্যুর পর নব্য জেএমবির কার্যক্রম চালিয়ে নেয় সমন্বয়কদের একজন মাইনুল ওরফে মুসা। তানভীরের সঙ্গে মুসার দীর্ঘদিনের পরিচয় ছিল। নিহত জঙ্গি মেজর (অব.) জাহিদ, তানভীর ও মুসা উত্তরা এলাকায় দীর্ঘদিন ছিল। তারা উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে নিয়মিত একত্রিত হতো। একসময় মুসা তানভীরের দুই ছেলে তাহরীম কাদেরী (বর্তমানে কারাগারে) ও আফিফ কাদেরীকে (শনিবার আশকোনায় নিহত) বাসায় গিয়ে পড়াতো।

LEAVE A REPLY