সাবেক ছাত্রনেতা শেখ মনিরুজ্জামান লিটন বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর মেলার পুনরায় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত

:সাঈদ মাহাদী সেকেন্দার:

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাবি চারুকলা অনুষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ মনিরুজ্জামান লিটন দ্বিতীয় মেয়াদে বঙ্গবন্ধু শিশুকিশোর মেলা কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

শেখ মনিরুজ্জামান লিটন ১৯৮০ সালে গোপালগঞ্জের কোটালিপাড়ায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ আব্দুল লতিফ এবং লুৎফুন্নেছা লতা দম্পতির একমাত্র সন্তান লিটন।পিতা-মাতা উভয়ে শিক্ষক হবার সুবাদে তাকে যেমন পড়ালেখায় হতে হয়েছে মনোযোগী ঠিক তেমনি পিতার রাজনৈতিক দর্শনকে গ্রহণ করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শে হয়েছেন অনুপ্রাণিত।

শেখ মনিরুজ্জামান লিটন ১৯৯৪ সালে ঢাকায় তেজগাঁও কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে ভর্তিহন।সেখানথেকেই তিনি সক্রিয় ছাত্রলীগের রাজনীতিতে।পরবর্তীতে ১৯৯৮ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চারুকলা অনুষদে ভর্তিহন।সেখানে শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসে নিজের রাজনৈতিক কার্যক্রম শুরু করেন। নম্র, বিনয়ী ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বেড়েওঠা তরুণ লিটন কখনও সামনে কখনওবা পেছনে সক্রিয় থেকেছেন ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যার ফলশ্রুতিতে ২০০৪ সালে ঢাবি চারুকলা অনুষদ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।তবে সময়টি তার জন্য মোটেও সুখকর ছিলনা,তৎকালীন ক্ষমতাসীন সরকার দলীয়রা ছাত্রলীগকে দমাতে ছিল তৎপর ফলে ত্যাগী এ ছাত্রনেতাকে মিথ্যা মামলা মাথায়নিয়ে পালিয়ে থাকতে হয়েছে বিভিন্ন সময়। তবে চারুকলার শিক্ষার্থী হওয়ার সুবাধে দলীয় প্রোগ্রামের ব্যানার ফেস্টুন বানিয়েছেন নিজ হাতে।দলের ক্রান্তি লগ্নে নিজে যেমন থেকেছেন পাশে তেমনি দলকে করেছেন সংগঠিত। নিজের পকেট খরচের টাকা ব্যায় করেছেন সংগঠনের জন্য ।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগ লিটনকে হতাশ করেনি। ২০০৮-০৯ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক নির্বাচিত হন লিটন।পরিশ্রমী এ ছাত্রনেতা দক্ষতার সথে তার দায়িত্বপালনে সক্ষম হন।

ছাত্রলীগের পাশাপাশি তিনি সূচনা লগ্নথেকে সক্রিয় ছিলেন ব্ঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলাতে । যার ফলশ্রুতিতে বর্তমান কর্মজীবনে তিনি সক্রিয় রয়েছেন সংগঠনটিতে।বর্তমানে তিনি বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বপালন করছেন।

শেখ মনিরুজ্জামান লিটন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের দুঃসময়ের সাথী।সংগ্রামী,দক্ষ ও বিনয়ী ছাত্রনেতা।তিনি যেমন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ঠিকতেমনি একজন শিল্পমনা মানুষ।সর্বশেষ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সম্মেলনে মঞ্চনির্মাণসহ সার্বিক শৈল্পিক কাজ দক্ষতার সাথে সম্পন্ন করার মাধ্যমে তিনি প্রমাণ দিতে সক্ষম হয়েছেন তার শৈল্পিক কর্ম দক্ষতার।

বিনয়ী আদর্শবান রাজপথের লড়াকু এ সৈনিক স্বপ্ন দেখেন একদিন বাংলার বুকে বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাশিত স্বপ্নের সেনার বাংলা বাস্তবে রুপলাভ করবে। স্বার্থান্বেষী চক্রের পরিবর্তে ত্যাগী নেতৃত্ব এর পেছনে মূল হাতিয়ার হিসেবে কজ করবে ।বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণকরে লিটন সামনের দিনগুলি অতিবাহিত করার পাশাপাশি বঙ্গবন্ধু কন্যা দেশরত্ন শেখ হাসিনার পাশে ছিলেন, আছেন এবং ভবিষ্যতেও থাকবেন বলে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এছাড়া বাংলাদেশ ছাএলীগ এবং বঙ্গবন্ধু শিশুকিশোর মেলাকে নিয়ে তিনি স্বপ্ন দেখেন।তিনি মনে করেন এখানথেকে এমন নেতৃত্ব গড়েউঠবে যারা একদিন বিশ্বকে নেতৃত্ব দিবে।

LEAVE A REPLY