সাভারে সাংবাদিক মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে গবিসাসের তীব্র নিন্দা

সাভার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও একাত্তর টেলিভিশনের প্রতিনিধি মিঠুন সরকারকে  মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগের ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করেছে গণ বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতি (গবিসাস)।

মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুরে গবিসাস কার্যালয়ে গবিসাস সভাপতি এস এম আহমেদ মনি এবং সাধারণ সম্পাদক তাজবিদুল ইসলামের যৌথ বিবৃতিতে এই নিন্দা প্রকাশ ও সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবি জানায় তারা। উক্ত ঘটনার তীব্র সমালোচনা করে তারা বলেন, সাংবাদিক মারধর ও চাঁদা দাবির ঘটনা আসলেই দুঃখজনক এবং নিন্দনীয়।

এদিকে মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে সাভার মডেল থানার এক দারোগাসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সোমবার চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি (সিআর মামলা নং-৫১/২০১৭) দায়ের করেন সাভার প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মিঠুন সরকার। মামলার আসামিরা হলেন সাভার মডেল থানার এসআই কবীর হোসেন, স্বরবর্ণ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার অভিজিৎ রায় ওরফে অজয়, ডগরমোড়া এলাকার বিজয় চন্দ্র রায় ও আশুলিয়ার কুড়গাঁও এলাকার রফিকুল ইসলাম।

জানা যায়, মামলার বাদী মিঠুন সরকার সাভারের শাহীবাগ এলাকায় অবস্থিত স্বরবর্ণ মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার অজয় রায় কালিনগর এলাকার আনোয়ার হোসেনের মেয়ে আখি আক্তারকে (১৭) গত বছরের ৯ ডিসেম্বর সকালে নায়িকা বানানোর প্রলোভন দিয়ে তার অফিসে নেয়ার পর থেকেই নিখোঁজ হয়। পরে বিভিন্নস্থানে পরিবারের পক্ষ থেকে খোঁজাখুঁজি করে তার কোন হদিস না পেয়ে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (নং-১০১৬) করেন আঁখির মা খাদিজা বেগম। ডায়েরির তদন্তভার দেয়া হয় সাভার মডেল থানার এসআই কবীর হোসেনকে।

মিঠুন আরো জানায়, এনিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা রোববার ওয়াপদা রোডের অফিসে এসে আমাকে অকথ্যভাষায় গালাগাল, মারধর ও অফিসে ভাঙচুর করে। এছাড়া তারা এক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে প্রাণনাশেরও হুমকি দেয়। পরে আমি সাভার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে আদালতে মামলা দায়ের করি।

LEAVE A REPLY