ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র জবি-আহত ২

জবি করেসপন্ডেন্ট;

জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। সংঘর্ষে আহত দুই ছাত্রলীগ কর্মীর একজন জবি ভুগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাদিম হায়দার এবং অপরজন জবি গনিত বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী বাদশা।

মঙ্গলবার (৩১জানুয়ারি) দুপুরে শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহির রায়হান আগুন এবং এইচ এম কামরুল হাসানের কর্মীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১টার দিকে দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে অতর্কিত ভাবে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর কয়েক দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় ক্যাম্পাসে এক ধরনের রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বোডি যৌথ ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ঘটার কিছু পরেই ঘটানা স্থলে আসেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান । এসময় প্রশাসনকে ক্যাম্পাসের বিশৃঙ্খলাকারীকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ক্যাম্পাসে যেই বিশৃখ্লা করুক বা যার হাতেই লাঠিশোটা, রড বা দেশিও কোন অস্ত্র থাকুক তাকেই গ্রেপ্তার করবেন।

জবি ছাত্রলীগ সুত্রে জানা যায়, সকাল থেকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে কামরুল গ্রুপের কর্মীরা স্ব-দলবলে অবস্থান করছিল। অপর দিকে প্রতিদিনের মত নতুন ভবনের পাশে অবস্থান করছিল আগুন গ্রুপের কর্মীরা। আগুল ও কামরুল হাসান শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এসএম সীরাজুল ইসলামের অনুসারি।

জানা যায়, গতকাল সোমবার (৩০জানুয়ারি) পৌনে ৩টার দিকে বিজ্ঞান ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে নিজ গ্রুপের হয়ে রাজনীতি করা না করার রেশ ধরে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃুষ্টি হয় । এসময় ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাদিম হায়দারের সঙ্গে বাদশা ও নবীনের কথা কাটাকাটি হয়। ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে নবীন আগুন গ্রুপের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে আহত হন। এই ঘটনার রেশ ধরেই মুলত দুই গ্রুপের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে জহির রায়হান আগুন বলেন, এখানে ছাত্রলীগের কোন ঘটনা নাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ্ব ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা ছোট মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরে খবর পেয়ে আমরা তৎক্ষনাৎ ঘটনা স্থলে যাই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে প্রশাসনকে সহায়তা করি।

এদিকে কামরুল হাসানকে একাধিক বার ফোনে কল করা হলে প্রথমে তিনি ফোন কেটে দেন এরপর আর ফোন রিসিভ করেন নি। তবে ঘটনা কিছু পরেই তিনি প্রশাসনের উপস্থিতিতে বলেন, আগুন তার কর্মীদের লাগিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যায়। এসময় আগুন বারবার তাকে বুঝানোর চেষ্টা করেন যে, এটা আমাদের গ্রুপের রাজনৈতিক কোন সংঘর্ষ বা মারামারি নয় এবং এটা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ভূল বুঝাবুঝির একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জবি প্রক্টর ড. নুর মোহাম্মদ বলেন,এটা ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীদের নিয়ে এক ধরণের তুচ্ছ ঘটনা। তাছাড়া গত কালের ঘটাণার একটু জের ছিল।

জবি করেসপন্ডেন্ট;

জবি: জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ঘটনায় ছাত্রলীগের দুই কর্মী গুরুতর আহত হয়েছে। সংঘর্ষে আহত দুই ছাত্রলীগ কর্মীর একজন জবি ভুগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাদিম হায়দার এবং অপরজন জবি গনিত বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী বাদশা।

মঙ্গলবার (৩১জানুয়ারি) দুপুরে শাখা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জহির রায়হান আগুন এবং এইচ এম কামরুল হাসানের কর্মীদের মধ্যে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুর ১টার দিকে দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে অতর্কিত ভাবে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর কয়েক দফায় ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় ক্যাম্পাসে এক ধরনের রণক্ষেত্রের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টরিয়াল বোডি যৌথ ভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন।

ঘটার কিছু পরেই ঘটানা স্থলে আসেন জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান । এসময় প্রশাসনকে ক্যাম্পাসের বিশৃঙ্খলাকারীকে গ্রেপ্তার করার নির্দেশ দিয়ে বলেন, ক্যাম্পাসে যেই বিশৃখ্লা করুক বা যার হাতেই লাঠিশোটা, রড বা দেশিও কোন অস্ত্র থাকুক তাকেই গ্রেপ্তার করবেন।

জবি ছাত্রলীগ সুত্রে জানা যায়, সকাল থেকে ক্যাম্পাসের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে কামরুল গ্রুপের কর্মীরা স্ব-দলবলে অবস্থান করছিল। অপর দিকে প্রতিদিনের মত নতুন ভবনের পাশে অবস্থান করছিল আগুন গ্রুপের কর্মীরা। আগুল ও কামরুল হাসান শাখা ছাত্রলীগের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক এসএম সীরাজুল ইসলামের অনুসারি।

জানা যায়, গতকাল সোমবার (৩০জানুয়ারি) পৌনে ৩টার দিকে বিজ্ঞান ভবনের সামনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থীকে নিজ গ্রুপের হয়ে রাজনীতি করা না করার রেশ ধরে এক ধরনের বিশৃঙ্খল পরিবেশের সৃুষ্টি হয় । এসময় ভুগোল ও পরিবেশ বিভাগের ৭ম ব্যাচের শিক্ষার্থী নাদিম হায়দারের সঙ্গে বাদশা ও নবীনের কথা কাটাকাটি হয়। ধাক্কাধাক্কির এক পর্যায়ে নবীন আগুন গ্রুপের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে আহত হন। এই ঘটনার রেশ ধরেই মুলত দুই গ্রুপের মধ্যে আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

এ ব্যাপারে জহির রায়হান আগুন বলেন, এখানে ছাত্রলীগের কোন ঘটনা নাই। বিশ্ববিদ্যালয়ের জুনিয়র শিক্ষার্থীদের মধ্যে তুচ্ছ্ব ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটা ছোট মারামারির ঘটনা ঘটেছে। পরে খবর পেয়ে আমরা তৎক্ষনাৎ ঘটনা স্থলে যাই এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে প্রশাসনকে সহায়তা করি।

এদিকে কামরুল হাসানকে একাধিক বার ফোনে কল করা হলে প্রথমে তিনি ফোন কেটে দেন এরপর আর ফোন রিসিভ করেন নি। তবে ঘটনা কিছু পরেই তিনি প্রশাসনের উপস্থিতিতে বলেন, আগুন তার কর্মীদের লাগিয়ে দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যায়। এসময় আগুন বারবার তাকে বুঝানোর চেষ্টা করেন যে, এটা আমাদের গ্রুপের রাজনৈতিক কোন সংঘর্ষ বা মারামারি নয় এবং এটা জুনিয়র শিক্ষার্থীদের ভূল বুঝাবুঝির একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জবি প্রক্টর ড. নুর মোহাম্মদ বলেন,এটা ছাত্রলীগের জুনিয়র কর্মীদের নিয়ে এক ধরণের তুচ্ছ ঘটনা। তাছাড়া গত কালের ঘটাণার একটু জের ছিল।

LEAVE A REPLY