পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ২

রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুজন নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তিরা ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন বলে পুলিশের ভাষ্য।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার কুর্শা ইউনিয়নের নেংটিছেড়া সেতু এলাকায় কথিত এই বন্দুকযুদ্ধ হয়।

নিহত দুজন হলেন মশিয়ার রহমান (৪০) ও বিজয় চন্দ্র (৩২)। মশিয়ারে বাড়ি তারাগঞ্জ উপজেলার আলমপুর ইউনিয়নের ভীমপুর দরজিপাড়া গ্রামে। বিজয়ের বাড়ি রংপুর সদর উপজেলার কুর্শা বলরাম গ্রামে।

পুলিশের ভাষ্য, ঘটনাস্থল থেকে আগ্নেয়াস্ত্র, ধারালো অস্ত্র, কার্তুজ ও মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশের ছয় সদস্য আহত হয়েছেন।

তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ মিঞা বলেন, নিহত মশিয়ার ও বিজয়ের বিরুদ্ধে ডাকাতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে একাধিক থানায় মামলা আছে।

তারাগঞ্জ থানার পুলিশের ভাষ্য, গতকাল রাতে উপজেলার নেংটিছেড়া সেতুর কাছে রংপুর-সৈয়দপুর মহাসড়কে একদল লোক ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছিল বলে খবর পাওয়া যায়। তারাগঞ্জ থানার টহল পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযানে যায়। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে ডাকাতেরা গুলি ছোড়ে। পুলিশ পাল্টা গুলি ছোড়ে। এতে ডাকাত দলের দুই সদস্য আহত হয়। অন্যরা পালিয়ে যায়। ডাকাত দলের আহত দুই সদস্যকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু পথে তারা মারা যায়। পরে তাদের নাম-পরিচয় জানা যায়।

ময়নাতদন্তের জন্য নিহত দুজনের লাশ রংপুর মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।

তারাগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল লতিফ বলেন, নিহত দুজন ডাকাত দলের সদস্য ছিলেন।

পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থল থেকে একটি পাইপগান, একটি ওয়ান শুটার, তিনটি কার্তুজ, একটি ছোরা, একটি চাকু, রশি, লাঠি ও তিনটি মুঠোফোন উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ তথ্য অনুযায়ী, বন্দুকযুদ্ধে পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আব্দুর রহিম, উপপরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান, এসআই মোহাম্মদ আলী, কনস্টেবল রাশেদুল হক, রূপম চন্দ্র ও সাখাওয়াত হোসেন আহত হন।

LEAVE A REPLY