৫ হাজার কর্মী নিয়োগের অনুমতি মালয়েশিয়ায়

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে পাঁচ হাজারেরও বেশি কর্মী নিয়োগের অনুমতি দিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) মাধ্যমে কাজ পাওয়া পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কর্মী পাঠানোর জন্য নিবন্ধনসহ যাচাই-বাছাই শুরু করবে।

বৃহস্পতিবার প্রথম আলোতে প্রকাশিত ‘মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া অবশেষে শুরু’ শীর্ষক এক বিশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।প্রতিবেদনে বলা হয়, ক্যাথারসিস ইন্টারন্যাশনাল, ইউনিক ইস্টার্ন প্রাইভেট লিমিটেড, আমিন ট্যুরস অ্যান্ড ট্রাভেলস, প্রান্তিক ট্রাভেলস অ্যান্ড ট্যুরিজম এবং আল ইসলাম ওভারসিজকে কর্মী নিয়োগের কাজ দেওয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারে আল ইসলাম ওভারসিজের মালিক জয়নাল আবেদিন বলেন, তিনি এক হাজার লোক পাঠানোর অনুমতি পেয়েছেন। খরচের বিষয়টি সবাই মিলে ঠিক করবেন।তবে জনশক্তি রফতানি খাতের অধিকাংশ ব্যবসায়ীর অভিযোগ, এবার মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর কাজ পাচ্ছে গুটিকয়েক প্রতিষ্ঠান।

বাংলাদেশের জনশক্তি রফতানির অন্যতম বাজার মালয়েশিয়া ২০০৯ সাল থেকে কর্মী নেওয়া বন্ধ করে দেয়। ২০১২ সালের ২৬ নভেম্বর সরকারিভাবে কর্মী পাঠাতে দুই দেশ চুক্তি করে। এরপর মালয়েশিয়া গত ৫ বছরে ৫ লাখ লোক নেওয়ার আশ্বাস দিলেও আড়াই বছরে মাত্র ৮ হাজার কর্মী নিয়েছে।

গত বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি দুই দেশের মধ্যে জি টু জি প্লাস সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার ১২ ঘণ্টার মধ্যেই মালয়েশিয়া জানায়, এই মুহূর্তে তারা আর কর্মী নেবে না। এতে কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়া ঝুলে যায়।এরপর গত নভেম্বরে মালয়েশিয়ার মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশে আসে। ওই বৈঠকেই আবার কর্মী পাঠানোর এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

প্রিয় সংবাদ

LEAVE A REPLY