শিশুদের খেলার সঙ্গী হয়ে উঠুন

Lifestyle:- শিশুদের সাথে খেলাধূলা করা খুবই জরুরি। আপনি হয়ত ভাবছেন শিশুদের খেলার পরিবেশ তৈরি করে দেবেন তাহলেই তো হল! কিন্তু এটাই যথেষ্ট নয়। শিশুর সাথে নিজেও খেলাধূলায় মেতে উঠুন। তার বন্ধুদের সাথে আপনিও মিশুন। কেন? আসুন জেনে নিই কারণগুলো-
 
♦ শিশুর বন্ধু হওয়ার এটাই সুযোগ :- আমরা মনে করি শৈশবে শিশুদের প্রয়োজন আদর আর শাসন। কৈশোরে বন্ধুত্ব। কিন্তু এটা কখনোই সম্ভব নয়। আপনাকে শৈশব থেকেই বন্ধুত্ব গড়ে তুলতে হবে। হঠাৎ করে বন্ধু হতে গেলে আপনার সন্তান সেটাকে তার ব্যক্তিগত জীবনে অনধীকার চর্চা হিসেবে ধরে নিতে পারে। তাই তার সাথে খেলুন, গল্প করুন, তার বন্ধুদেরও বন্ধু হয়ে উঠুন।
 
♦ বয়সের দূরত্ব কমান  :- সন্তানের সাথে দূরত্ব, জেনারেশন গ্যাপ এমনিতেই আপনাকে তার চোখে করে রাখে ব্যাকডেটেড। আপনি নিজেও যদি গাম্ভীর্য বজায় রাখেন তাহলে বয়সের দূরত্বের সাথে সাথে তৈরি হবে মানসিক দূরত্ব। তা কখনোই মেটানো সম্ভব হয় না। খেলাধূলা আপনাদের ঘনিষ্টতা বাড়াবে।
 
♦ নিজেকে সজীব রাখুন :- শিশুর সাথে নিয়মিত খেলাধূলা আপনার নিজের জন্যেও জরুরি। দৈনন্দিন ব্যায়ামটা করে ফেলুন এখানেই। অথবা আপনার ব্যায়ামকে করুন শিশুর খেলার অংশ। দুইজনে একসাথে শরীরচর্চা করুন। এভাবে শারিরিকভাবে ফিট থাকুন একইসাথে নির্মল শিশুদের সংগ নিয়ে মনকেও রাখুন সজীব, নির্মল।
 
♦ সুস্থ পারিবারিক আবহ :- আপনি আপনার পরিবারের সাথে যত সময় কাটাবেন ততই আপনার পরিবারে সুস্থ একটা আবহ বিরাজ করবে। কারণ আপনাদের মাঝে আন্তরিকতার কোন ঘাটতি থাকবে না। শিশুর সাথে ঘনিষ্টতা বজায় রাখতে রাখতে এক সময় দেখবেন আপনার দাম্পত্য জীবনও খুব ভাল চলছে। অন্যদের সাথেও সম্পর্ক ভাল আছে।
 
♦ দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি :- প্রতিটি বাবা মায়ের একটা চিন্তা থাকে যে তারা কিভাবে তাদের শিশুদের জগৎটাকে নিয়ন্ত্রণ করবেন। শিশু যন্ত্রাসক্তিতে ভুগতে শুরু করতে পারে। আপনি হয়ত খেয়ালই করলেন না কখন আপনার সন্তান বন্ধুদের সাথে খেলাধূলা বন্ধ করে আপনার স্মার্টফোনেই তার জগৎ খুজে নিয়েছে। যে সময় তার দলবেঁধে মাঠে কাটানোর কথা সেই সময় সে দিচ্ছে ভিডিও গেমস এ। যতক্ষণে আপনি এসব খেয়াল করবেন ততদিনে তাকে ফেরানো হয়ে উঠবে অসাধ্য। তাই শুরু থেকেই তার খেলার সঙ্গী হন। এভাবে আপনি তার সব খবর পাবেন। যে কোন ভুল আসক্তি থেকে তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন। 
 

LEAVE A REPLY