বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশনের প্রস্তাব অনুযায়ী প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া নুরুল হুদাসহ কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর । নুরুল হুদার নাম প্রস্তাব করেছিলো ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)ও।

নির্বাচন কমিশনার হিসেবে এই সাবেক সচিবের নাম সার্চ কমিটির কাছে প্রস্তাব করে তারা।

সার্চ কমিটির কাছে জমা দেওয়া আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রস্তাবে ছিলো না নতুন প্রধান নির্বাচন কমিশনারের (সিইসি) নাম। সোমবার সার্চ কমিটির তালিকা থেকে এ সিইসি হিসেবকে এম নুরুল হুদাকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।
সূত্রগুলো জানায়, সার্চ কমিটিকে দেওয়া তরিকত ফেডারেশনের প্রস্তাবে সিইসি হিসেবে নুরুল হুদা এবং কমিশনার হিসেবে সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী, সাবেক সচিব আলী কবির এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক জিনাতের নাম ছিল। যাদের মধ্যে ৩ জনকে নতুন ইসিতে নিয়োগ দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি।

অন্যদিকে ন্যাপও সিইসি হিসেবে নুরুল হুদার নাম প্রস্তাব করে। তবে অন্য রাজনৈতিক দলগুলো তাকে কমিশনার হিসেবে নাম প্রস্তাব করে।

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরীর নাম আসে ক্ষমতাসীনদের জোটসঙ্গী সাম্যবাদী দলের প্রস্তাবেও। সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানমের নাম দেয় আওয়ামী লীগ। সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদারকে প্রস্তাব করে বিএনপি।

নতুন সিইসি নুরুল হুদার নেতৃত্বে অন্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন- সাবেক সচিব মো. রফিকুল ইসলাম, সাবেক অতিরিক্ত সচিব মাহবুব তালুকদার, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ বেগম কবিতা খানম, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শাহাদাৎ হোসেন চৌধুরী। রাষ্ট্রপতি মো.আবদুল হামিদ সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে তাদের নিয়োগ দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, বুধবার সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ ও অন্য তিন কমিশনারের মেয়াদ শেষ হবে। ১৪ ফেব্রুয়ারি শেষ হবে কমিশনার শাহনেওয়াজের মেয়াদ।

LEAVE A REPLY