জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আত্মপক্ষ সমর্থনের শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার আদালতে যাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। বুধবার খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার জানান, সকাল সাড়ে ১০টায় বেগম জিয়া আদালতে যাবেন।
রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু আহমেদ জমাদারের আদালতে মামলাটির বিচারকাজ চলছে। গত ২ ফেব্রুয়ারি ওই আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে একটি আবেদন করেন খালেদা জিয়া। আবেদনটি খারিজ করেন আদালত। এরপর আদালত বদলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। গত ১ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া আত্মপক্ষ সমর্থনে আংশিক বক্তব্য রাখেন। পরবর্তী সময়ে ১৫ ডিসেম্বর খালেদা জিয়া ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হয়ে সময়ের আবেদন করেন। অন্যদিকে গত ১ ডিসেম্বর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার রাষ্ট্রপক্ষের ৩২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য বাতিল করে আবার নেওয়ার জন্য খালেদা জিয়ার আবেদন শুনানিশেষে খারিজ করে দেওয়া হয়।
অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায়
আদালত পরিবর্তনের আবেদন
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিচারকের প্রতি অনাস্থা জানানোয় আদালত পরিবর্তনের আবেদন করেছেন বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। গতকাল বুধবার বুধবার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এই আবেদন করা হয়। বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর ডিভিশন বেঞ্চে আবেদনটির ওপর আগামী সপ্তাহে শুনানি হতে পারে।
গত ২ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদারের বিরুদ্ধে অনাস্থা জানান বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া। অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা পুন:তদন্তের আবেদন খারিজ করে দেওয়ায় এই অনাস্থা জানানো হয়। পরে অনাস্থার আবেদনও খারিজ করে দেন বিচারক। এই আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার এম মাহবুবউদ্দিন খোকন। আবেদনে বলা হয়েছে, অন?্য মামলায় মাসখানেক পর পর শুনানির জন্য দিন ধার্য করলেও খালেদা জিয়ার মামলায় বিচারক সপ্তাহে দুইদিন শুনানির জন্য দিন ধার্য রাখছেন। এতে সাধারণ বিচারপ্রার্থী জনগণের মত তিনি ন্যায়বিচার পাচ্ছেন না। আবেদনকারীকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করার জন্যই মামলা নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে তাড়াহুড়া করা হচ্ছে। এতে আবেদনকারী মনে করেন এই আদালতে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন না।

LEAVE A REPLY