সীমান্তবর্তী জেলা কুড়িগ্রামের ভূরুংগামারী থানার কয়েকটা সীমান্ত চোরাচালানকারীদের জন্য নিরাপদ রাস্তা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ার সুবাদে, ভূরুংগামারীর বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রতিনিয়তগাজা,ইয়াবা,ফেন্সিডিল,মোটরবাইক, গরুসহ মানবপাচারের মত অপরাধ ঘটে।

আর এসব কাজ আওয়ামীলীগ ও জাতীয় পার্টির স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের সরাসরি হস্তক্ষেপে সংগঠিত হয় বলেও তারা জানান ।

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত ৩ টার দিকে কয়েক প্রকার নেশাজাতীয় দ্রব্য আর অবৈধ ভারতীয় গরুসহ ভূরুংগামারী থানার ধলডাংগা বিজিপি ক্যাম্পের বিজিবির কাছে ধরা পরে ভুরুংগামারী উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মাহমুদুল হাসান ও যুগ্ন আহবায়ক সেলিম মাহমুদ। তাদের কাজে সহায়তা করে জিয়ন, গাঞ্জা বাবু,এনামুল,সুজন,জাক্কু,বাবা মিলন।

ঘটনা স্থল থেকে লাল রংগের পালসার বাইক উদ্ধার করা হয়। তাৎক্ষণিক ভাবে হাসান-সেলিম গ্যাংয়ের অনেকে ধরা পড়লেও গুটিকয়েক স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা একপ্রকার জোড় করেই তাদের ছাড়িয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এই ব্যাপারে কথা বলার জন্য ধলডাংগা বিজিপি ক্যাম্পে যোগাযোগ করা হলে তাদের সাথে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যাক্তি অভিযোগ করে জানায়, স্থানীয় আওয়ামীলীগ এর সাহায়তায় ছাত্রলীগের হাসান -সেলিম গ্রুপ ভূরুংগামারী থানার অনেক সীমান্ত দিয়েই চোরাই পথে বিভিন্ন চোরাচালান দ্রব্য বাংলাদেশে আনে ও বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাঠায়।

LEAVE A REPLY