পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক অল রাউন্ডার শহিদ আফ্রিদি ফিক্সিংয়ের ঘটনায় হতাশা প্রকাশ করে বলেছেন, এখন সময় এসেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের দৃষ্টান্ত স্থাপন করার। ক্রিকেটে স্পট ফিক্সিংসহ সব ধরনের অনৈতিক কর্মকান্ড বন্ধ করতে হলে ওই কাজে লিপ্ত খেলোয়াড়দের ক্রিকেট থেকে বের করে দেয়া উচিৎ। খবর জিও সুপার চ্যানেল

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ক্রিকেটার সারজিল খান ও খালিদ লতিফকে নিষিদ্ধ করেছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। দুর্নীতি বিরোধী আইনের আওতায় এই দুইজনকে পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকেও বহিস্কার করা হয়েছে।

পাকিস্তানের এই অলরাউন্ডার বলেন, দেশের আকাশে এখনো ফিক্সিং মেঘের আনাগোনা রয়েছে। কারণ, শাস্তি পাওয়া ক্রিকেটাররা ফের ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ পাচ্ছে।

পাকিস্তানী ব্যাটসম্যান সারজিল ও খালিদের নতুন করে ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়া এবং পিসিবির দুর্নিতী বিরোধী আইনে তাদের শাস্তি প্রদানের ঘটনাটি নতুন করে সাড়া জাগিয়েছে।

পিসিবি জানায়, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) ও তাদের অন্তর্গত এন্টি করাপশন ইউনিট (এসিইউ) তাদের নিজস্ব এসিইউ’কে সঙ্গে নিয়ে পিএসএলের ফ্র্যাঞ্চাইজি ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের এই দুই খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে আরো অধিকতর তদন্ত পরিচালনা করছে।

আফ্রিদি বলেন, (এ বিষয়ে) আমি আসলে কি বলব বুঝতে পারছিনা, শুধু এইটুকুই বলব আগেও এমনটি ঘটেছে। এ বিষয়ে পিসিবি দৃস্টান্ত সৃস্টি না করা পর্যন্ত এটি থামানো বেশ কঠিন হবে। আমার মতে এটার কোন পরিবর্তন হবেনা। কারণ আপনি শাস্তি পাওয়া খেলোয়াড়দের আবার ক্রিকেটে ফেরার সুযোগ দিচ্ছেন। ৫ বছর নির্বাসিত থাকার পর ওই খেলোয়াড়রা যদি আবার ফিরে আসে তাহলে এর কার্যকারিতা কোথায়। দৃষ্টান্ত সৃষ্টি না করা পর্যন্ত আমার মনে হয়না এটি থামানো যাবে।

২০১৫ সালে স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ হওয়া পাকিস্তানী পেসার মোহাম্মদ আমিরকে ফের ক্রিকেটে ফেরানোর জন্য আইসিসির সঙ্গে দেন-দরবার করে সফল হয়েছে পিসিবি। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের লর্ডসে অনুষ্ঠিত সিরিজের চতুর্থ টেস্টে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে নির্বাসনে যান আমির সহ আরো দুই পাক ক্রিকেটার সালমান বাট ও মোহাম্মদ আসিফ।

ওই ঘটনায় ২০১১ সালের শুরুতে আইসিসির দুর্নীতি বিরোধী ট্রাইব্যুনাল তাদেরকে কমপক্ষে ৫ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করে। ২০১৫ সালে ওই নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হবার পর তারা এখন আবার ক্রিকেটে ফিরে এসেছেন।

LEAVE A REPLY