নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

ওয়াশিংটনে মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বাংলাদেশের অন্যতম সংবিধান প্রণেতা, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য, উপমহাদেশের বিশিষ্ট পার্লামেন্টারিয়ান, সাবেক মন্ত্রী, ভাটি বাংলার সিংহ পুরুষ, বর্ষীয়ান প্রতিনিধি সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

স্থানীয় সময় ১৪ ফেব্রুয়ারি ওয়াশিংটনের আরলিংটন ভার্জিনিয়ায় স্হানিয় একটি রেস্টুরেন্টে বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগ এ কর্মসূচির আয়োজন করে ।

বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি দেওয়ান আরশাদ আলী বিজয়ের সভাপতিত্বে এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মো: জামাল হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামিলীগের সাবেক সভাপতি ও পটুয়াখালি জেলা আওয়ামীলিগের সভাপতি আলাউদ্দিন আহমেদ ।

বিশেষ অথিতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ম্যারিল্যান্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি শেখ সেলিম, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামীলিগের সভাপতি সাদেক খাঁন,ভার্জিনিয়া আওয়ামিলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ এফ এম আনোয়ারুল আজিম, মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামীলিগের সাধারণ সম্পাদক জনাব মাহমুদুন্নবি বাকি, আমরা বাঙালি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি জিবক কুমার বড়ুয়া, আমরা বাঙালি ফাউন্ডেনের সাধার সম্পাদক ও ওয়াশিংটন আওয়ামীলীগের আইন সম্পাদক দস্তগির জাহাঙ্গীর।

সভার শুরুতে পবিত্র কোরান থেকে তেলোওয়াত পাঠ করেন ভার্জিনিয়া আওয়ামিলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান খাঁন। সভায় ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন থেকে এ পর্যন্ত সকল শহীদদের প্রতি সন্মান প্রদর্শন করে সকলে দাঁড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয় ।

সভায় আরো বক্তব্য করেন মেট্রো ওয়াশিংটন আওয়ামীলিগের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল আলমগীর, ভার্জিনিয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমান উল্লাহ, সাংগঠনিক সম্পাদক উসমান খাঁন, মো: আলতাফ হোসেন, বৃহত্তর ওয়াশিংটন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও এজাইল ওয়ান টেকের সিইও জাহিদ হুসেন, সহ সভাপতি মুজিবর রহমান, রুপক বড়ুয়া প্রমুখ।

সভার উল্লেখযোগ্য বিষয় ছিল দির্ঘদিন পর ওয়াশিংটন আওয়ামী লীগের তিন কমিটির সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদক এক মঞ্চে উপস্হিত হওয়া।

বক্তারা সব দ্বিধাদ্বন্দ্ব ভুলে এক সাথে আগামি ২০১৯ এর জাতীয় নির্বাচনে শেখ হাসিনার হাতকে কিভাবে শক্তিশালী করা যায় তার উপর গুরুত্ব আরোপ করেন । সভায় প্রয়াত সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের আত্মার শান্তি কামনা করে তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে বাংলাদেশে অবদান নিয়ে আলোচনা করা হয়। পাশাপামি সেনের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করা হয়।

LEAVE A REPLY