বসন্ত তবে এসেই গেল! প্রকৃতি তার রূপ পরিবর্তন করে নিজেকে সাজিয়ে নিয়েছে অপরূপ সাঁজে।গাছে গাছে উঁকি দিচ্ছে সবুজ-কচি পাতা আর নানা রঙের ফুল। সেই সাথে দখিনা বাতাসে ভেসে আসে কুকিলের সুর,  আমের মুকুলের গন্ধ এবং কৃষ্ণচূড়ার ডালে আগুন রাঙ্গা ফুলসহ নানা ফুলের সুবাস।
ঋতুরাজ বসন্ত দুয়ারে দাঁড়িয়ে; তাই বসন্তকে বরণ করে নিতে কার্পণ্য করেনি জাতীয় বস্ত্র প্রকৌশল ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (নিটার)। ২রা ফাল্গুন নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে সাজানো হয়েছিল বসন্ত উত্সব। বসন্ত উৎসবের শুভ উদ্বোধন করেন অএ ইনস্টিটিউট এর অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি বলেন, “আমাদের নিটার ক্যাম্পাস আজ সেই বাসন্তী রঙ্গে ফুটে ওঠেছে,এই ধারাবাহিকতা আমরা আশা করি অব্যাহত থাকবে।” সেই সাথে তিনি বাঙ্গালির প্রতিটি উৎসব সবাই সম্মিলিত ভাবে পালন করার আশা ব্যক্ত করেন।
গান, কবিতা, নৃত্য ও কথনে সাজানো হয়েছিল বসন্ত উৎসব। বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে আকর্ষণ হিসেনে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে নাটক “জেনারেশন গেপ” এর মঞ্চায়ন করা হয়।
 পিঠা উৎসবের আমেজে ও প্রানোচ্ছল ছিল নিটার প্রাঙ্গণ।বসন্ত বরণের পাশাপাশি বাংলার ঐহিহ্যগুলো বাচিয়ে রাখায় প্রয়াস হিসেবেই পিঠা উৎসবের আয়োজন। বিভিন্ন ব্যাচের ছাএ-ছাএীদের মোরগ সংসার, বসন্ত দূত,ফাল্গুনী,নায়রী,রঙ্গিন মুখোশ, বাঁশি, হালকা, পিঠা পর্বন,বসন্তী, রইল পিঠা ঘর নামে মোট ১০টি স্টল বসানো হয়েছিল।বিভিন্ন স্টলে ছিল শিক্ষার্থীদের হাতে বানানো নকশী পিঠা, দুধ চিতই, পাঠি সাপটা, মোরগ সংসার, ডাল পিঠা, মিল্কি বরফি, সিদ্ধ পুলি পিঠা,তেল চিতুই, দুধ পুলি, সেমাই পিঠা,হালকা স্পেশাল, পাকান পিঠা সহ নানা পিঠার সমাহার। পিঠার স্বাদে মুগ্ধ শিক্ষক শিক্ষিকাসহ সকেলেই।
দুপুরে নিটার কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে ‘বার্ষিক ক্রিয়া প্রতিযোগিতা-২০১৭’ এর শুভ উদ্বোধন করেন ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।ক্রিয়া প্রতিযোগিতায় ছেলেদের জন্য দৌড়, লং জাম্প, ক্যারাম, দাবা, টেবিল টেনিস এবং মেয়ের জন্য লুডু, দাবা,ভারসাম্য দৌড়, টেবিল টেনিস এর আয়োজন করা হয়।

LEAVE A REPLY