শেষ মুহূর্তে  ঘর অনেকটা গুছিয়েই জেলে যাচ্ছেন শশীকলা। আদালতের কাছে শরীর খারাপের কারণ দেখিয়ে কিছুটা সময় চেয়েছিলেন বটে, কিন্তু তাতে সায় মেলেনি। দ্রুত তাকে বেঙ্গালুরু আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর আর কালক্ষেপণ করেননি শশী। বিশাল বহর নিয়ে চেন্নাই থেকে রওনা দেন বেঙ্গালুরুর উদ্দেশে। খবর এনডিটিভি ও আনন্দবাজার পত্রিকার।
সুপ্রিম কোর্টের রায়ে যখন তার জেলে যাওয়া একেবারে নিশ্চিত, তখন থেকেই ফের একপ্রস্ত ঘুঁটি সাজাতে শুরু করেন শশীকলা। ভাইপো টিটিভি দীনকরণ এবং এস ভেঙ্কটেশকে ফের দলে এনেছেন। ২০১১তে দিনাকরণকে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে দল থেকে বের করে দিয়েছিলেন জয়ললিতা। শুধু আনাই নয়, তাকে দলের দুই নম্বর পদেও বসিয়েছেন শশী। তিনি এখন থেকে এআইএডিএমকের উপ-সাধারণ সম্পাদক। শশী নিজে সাধারণ সম্পাদকের পদেই রয়েছেন।
রাজনৈতিক মহলের মতে, জয়ললিতার মতো শশিকলাও জেলের ভিতর থেকে দল এবং সরকারের উপর কর্তৃত্ব বজায় রাখতে চাইছেন। তান নির্দেশেই যাতে তামিলনাড়ু চলে এবং সে পথে যাতে কোনও বাধা না থাকে তা নিশ্চিত করতেই নিজের লোকদের উচ্চ পদে বসিয়ে দিয়েই জেলে গিয়েছেন তিনি।
এদিকে বেঙ্গালুরু যাওয়ার আগে শশি বলেন, এআইএডিএমকে থেকে তাকে কেউ আলাদা করতে পারবে না। তিনি বলেন, ‘এআইএডিএমকে থেকে কোনও শক্তিই আমাকে আলাদা করতে পারবে না। যা-ই ঘটুক না কেন, আমি সব সময় দলের কথাই চিন্তা করব।’ উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার দুর্নীতির অভিযোগে চার বছরের জেলযাত্রা ও ১০ কোটি রূপি জরিমানার রায় হয়। তাই আপাতত মুখ্যমন্ত্রীর পদ অধরা থাকলেও, দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ হয়েই থাকতে চান শশী।

LEAVE A REPLY