আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন পরমাণু বিজ্ঞানী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বামী প্রয়াত ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার জন্ম দিনের আলোচনা সভায় বক্তারা বলেছেন, দেশ ও জাতির সেবায় নিষ্ঠার সাথে কাজ করে যে অবদান রেখে গেছেন তা যুগে যুগে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ভালোবাসা, দেশপ্রেম ও নিঃস্বার্থভাবে জাতির জন্য দেশের উন্নয়ন ও মঙ্গলের জন্য তিনি কাজ করে গেছেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে বিশ্ব সাহিত্য কেন্দ্র মিলনায়তনে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার ৭৫তম জন্ম বার্ষিকী উপলক্ষে বক্তারা এই কথা বলেন।
সাধনা সংসদ ফাউন্ডেশন আয়োজিত ইতিহাস, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির বিকৃত রোধে আমাদের করণীয় শীর্ষক আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের নির্বাহী সভাপতি আলী নিয়ামত। এতে ড. এম এ ওয়াজেদ মিয়ার কর্ম ও জীবনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোশাররফ হোসেন ভুইয়া, ওয়াল্ড ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল মান্নান চৌধুরী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও মুক্তিযোদ্ধা বুলবুল মহলানবীশ, কবি আসলাম সানী, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাবেক সভাপতি এইচ.এম. বদিউজ্জামান সোহাগ প্রমুখ।
আলাচনায় অংশ নিয়ে মোশাররফ হোসেন ভুইয়া বলেন, ড. ওয়াজেদ ছিলেন একজন সৎ, মহৎ চরিত্রের মানুষ এবং অত্যন্ত চিন্তাশীল ও মানবিক গুণাবলীর ব্যক্তিত্ব সম্পন্ন মানুষ। ড. ওয়াজেদ মিয়া রাজনীতির উর্ধ্বে ওঠে গভীর দেশপ্রেম নিয়ে জাতির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন। তাই, অবসর গ্রহণের পরেও সকল সরকারের সময়ে তিনি বিভিন্ন জাতীয় কমিটিতে থেকে অবদান রেখে গেছেন।
তিনি বলেন, ড. ওয়াজেদ মিয়া জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নে তাঁর অসাধারণ অবদানের মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগতভাবে উন্নত দেশে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতেন। তিনি সত্য ও ন্যায়ের পথে থেকে নতুন প্রজন্মকে তার আদর্শ থেকে শিক্ষা নেয়ার জন্য নতুন প্রজন্মের প্রতি আহবান জানান।
অনুষ্ঠানে ড. আবদুল মান্নান চৌধুরী বলেন, জাতির জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করায় ড. ওয়াজেদ মিয়া সকলের জন্য আদর্শ হয়ে থাকবেন এবং তার অবদানের জন্য মানুষ তাকে চিরকাল স্মরণ করবে। পরে শিশু কিশোরদের উপস্থিতিতে জন্ম দিনের কেক কাটা হয়।

LEAVE A REPLY