ঢাকার ধামরায় উপজেলায় পোশাক কারখানায় চাকরির জন্য বয়স সনদ দেয়ার কথা বলে দরিদ্র পরিবারের এক কিশোরীকে ধর্ষণ করেছে স্থানীয় ইউপি সদস্য (মেম্বার)।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে এ ঘটনা ঘটে।

ওই ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করেছেন সাভার-ধামরাই সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি)।

কিশোরীর পরিবারের সদস্যরা জানান, বৃদ্ধ মা-বাবার দিকে তাকিয়ে অভাবের সংসারে সুখের আলো ফোটাতে বিভিন্ন পোশাক কারখানায় ধরণা দেয় ওই কিশোরী। বয়স কম বলে কেউ তাকে চাকরি দেয় না। সবাই চেয়ারম্যানের কাছ থেকে সার্টিফিকেট আনতে বলে।

পরে ওই কিশোরী বয়স বাড়িয়ে একটি নাগরিক সনদপত্র  আনতে স্থানীয় ইউপি সদস্য নামজুল হাসান মোক্তার আলীর  কাছে যায়। এসময় মোক্তার আলী সনদ এনে কিশোরীর বাড়িতে দিয়ে যাওয়ার কথা বলে।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টার দিকে ওই ইউপি সদস্য কিশোরীর বাড়িতে যায়। এসময় বাড়িতে মা-বাবা না থাকার সুযোগে ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে ওই ইউপি সদস্য।

পরে কিশোরীর চিৎকারে দৌড়ে পালাতে গিয়ে জনতার হাতে আটক হয় মোক্তার আলী। এসময় তার লোকজন খবর পেয়ে তাকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে যাদবপুর ইউপি সদস্য মো. মিজানুর রহমান মিজু বলেন, ঘটনাটি খুবই ন্যাক্কারজনক।

ধামরাই থানার ওসি শেখ মোহাম্মদ রিজাউল হক দীপু বলেন, ইউপি মেম্বার খুবই জঘন্য অপরাধ করেছে। তার বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

এএসপি মো. নাজমুল হাসান ফিরোজ বলেন, ওই ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

LEAVE A REPLY