সেঞ্চুরি, সেঞ্চুরি, সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরির হ্যাটট্রিকই করে ফেললেন নাঈম ইসলাম। জাতীয় দলের বাইরে থাকা ব্যাটসম্যান বিসিএলে টানা তৃতীয় ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছেন। এবারের বিসিএলে পাঁচ ম্যাচে চারটি সেঞ্চুরি হলো নাঈমের। কাল সিলেটে ১৩৩ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন বিসিবি উত্তরাঞ্চলের অভিজ্ঞ এই ব্যাটসম্যান। সেঞ্চুরি পেয়েছেন একই দলের তরুণ ব্যাটসম্যান নাজমুল হোসেন শান্তও। জোড়া এই সেঞ্চুরিতে ভর করে প্রথম ইনিংসে ৬ উইকেটে ৪২২ রান তুলেছে উত্তর। ওয়ালটন মধ্যাঞ্চলের প্রথম ইনিংসের চেয়ে দলটি এগিয়ে গেছে ২৪১ রানে।
নাঈম-নাজমুলদের দিনে চট্টগ্রামে সেঞ্চুরি পেয়েছেন ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চলের আফিফ হোসেন। সপ্তাহ দুয়েক আগে প্রথম শ্রেণির অভিষেকে সেঞ্চুরি করা আফিফ কাল করেছেন ক্যারিয়ার-সর্বোচ্চ ১৩৭ রান। তিন ম্যাচেই দুটি সেঞ্চুরি পেয়ে গেলেন ১৭ বছর বয়সী এই কিশোর। চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই দুই ম্যাচ খেলে দুটিতেই সেঞ্চুরি পেলেন আফিফ।
আফিফের পূর্বাঞ্চল দ্বিতীয় দিনটা শেষ করেছে ৪ উইকেটে ২৯০ রান তুলে। প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম ইনিংসের চেয়ে এখনো ৬ রান পিছিয়ে দলটি। ২১ রানে ওপেনিং-সঙ্গী ইমতিয়াজ হোসেনকে হারান আফিফ। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে তাসামুল হককে নিয়ে ২২২ রান যোগ করেছেন, আফিফ তাঁর ২৩৮ বলের ইনিংসে চার মেরেছেন ১৭টি। সঙ্গী তাসামুল আউট হয়েছেন সেঞ্চুরি থেকে ২ রানে দূরে।
সিলেটে ৩ উইকেটে ৬৩ রান নিয়ে দিন শুরু করা উত্তর চতুর্থ উইকেট হারায় ১০৪ রানে। এরপর নাজমুলকে নিয়ে পঞ্চম উইকেটে ১৯৭ রান যোগ করেন নাঈম। নাঈমের পরে নেমেও সেঞ্চুরিটা আগেই করেছেন নিউজিল্যান্ডে টেস্ট অভিষিক্ত নাজমুল। ১৪২ বলে ১৮ চারে ১২৩ রান করে আউট অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ে নাম কেনা এই ব্যাটসম্যান। ২৭৫ বলে ১৩৩ রান নাঈমের। প্রথম শ্রেণিতে তাঁর ২১তম সেঞ্চুরিটা সাজানো ১৯ চার ও ১ ছক্কায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
ওয়ালটন মধ্যাঞ্চল ১ম ইনিংস: ১৮১। বিসিবি উত্তরাঞ্চল ১ম ইনিংস: ১০৯ ওভারে ৪২২/৬ (নাঈম ১৩৩*, নাজমুল শান্ত ১২৩, ধীমান ৬৪*, জুনায়েদ ৪১, জহুরুল ৩৫; শরীফউল্লাহ ২/৬৫, শাহাদাত ২/৯১, মোশাররফ ১/৭৮, শরীফ ১/৯৯)।
প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চল ১ম ইনিংস: ২৯৬। ইসলামী ব্যাংক পূর্বাঞ্চল ১ম ইনিংস: ৯৮ ওভারে ২৯০/৪ (আফিফ ১৩৭, তাসামুল ৯৮, অলক ২৬*; অপু ২/৬৯, জিয়া ১/২৫, আল আমিন ১/৫৬)।

LEAVE A REPLY