বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলাটি ঢাকার জ্যেষ্ঠ বিশেষ আদালতে (মহানগর দায়রা জজ) বদলির আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ৬০ দিনের মধ্যে মামলার বিচারকাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আজ বুধবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি সহিদুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ঢাকা-৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটি বিচারের শেষ পর্যায়ে ছিল। মামলাটি অন্য আদালতে বদলি চেয়ে আবেদন করেছিলেন খালেদা জিয়া। ওই আবেদনের ওপর ৫ মার্চ শুনানি শেষে আজ বুধবার আদেশের তারিখ ধার্য ছিল।

আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এ জে মোহাম্মদ আলী। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

দুদকের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান আজ বলেন, ‘এ আদেশে আমরা খুশি। কেননা, বিচারিক আদালত একটি সময়সীমা বেঁধে দিয়েছেন। এ আদেশ মানা বাধ্যকর। আমরা বিচার চাই। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, আপিল করার প্রয়োজন নেই।’

ওই মামলার একটি অংশের অভিযোগ পুনঃ তদন্ত চেয়ে খালেদা জিয়া বিচারিক আদালতে আবেদন করেন। এ আবেদনের শুনানি ও নিষ্পত্তির আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি বিচারিক পর্বে ৩৪২ ধারার বিধান অনুসারে কার্যক্রম শুরু হলে আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। ওই দিন তা খারিজ হয়। এরপর বিশেষ জজ আদালত-৩ থেকে মামলাটি অন্য আদালতে বদলির জন্য গত ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টে আবেদন করেন খালেদা জিয়া। এতে মামলাটি কেন ওই আদালত থেকে অন্য আদালতে বদলির নির্দেশ দেওয়া হবে না, এ মর্মে রুল চাওয়া হয়েছে। রুল হলে তা বিচারাধীন অবস্থায় মামলার কার্যক্রম স্থগিতের প্রার্থনাও রয়েছে।

ঢাকা-৩ নম্বর বিশেষ জজ আদালতে মামলাটি বিচারের শেষ পর্যায়ে ছিল। একই আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচারকাজ চলছে। ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টসংক্রান্ত দুর্নীতি মামলা করে দুদক।

LEAVE A REPLY