১২৮ রানে অপরাজিত ডিন এলগার। ছবি: এএফপি

ডানেডিনের ইউনিভার্সিটি ওভালে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটা মোটামুটি ভালোই কাটল দক্ষিণ আফ্রিকার। স্কোরবোর্ডে খুব বেশি যে রান উঠেছে, তা বলা যাবে না। ৯০ ওভার ব্যাট করে ৪ উইকেটে ২২৯—নিউজিল্যান্ডের বোলার, বিশেষ করে স্পিনারদের একটু দেখেশুনেই খেলেছে প্রোটিয়ারা। তবে ডিন এলগার নিজেকে আলাদাভাবেই তুলে ধরেছেন অপরাজিত এক সেঞ্চুরিতে। দিন শেষে ১২৮ রানে অপরাজিত আছেন তিনি। এই সেঞ্চুরিতে ১২ বছরের এক বৃত্তও ভেঙেছেন।

২০০৫ সালের পর নিউজিল্যান্ড সফরে আসা দলগুলোর কোনো ওপেনার সিরিজের প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরি পাননি। এর মধ্যে অনেক দল খেলতে এসেছে। বহু ওপেনার সিরিজের প্রথম ইনিংসে ব্যাট হাতে নেমেছেন। কিন্তু এই একটা জায়গায় কেন জানি ওপেনাররা পারছিলেন না। ২০০৫ সালে নেপিয়ারে সর্বশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন শ্রীলঙ্কার ওপেনার মারভান আতাপাত্তু। এক যুগ পর সেই বৃত্তটা ভাঙলেন এলগার।
তাও সেই সেঞ্চুরি কীভাবে এল! টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দক্ষিণ আফ্রিকা রীতিমতো ধ্বংসস্তূপ। ২২ রান স্কোরবোর্ডে উঠতেই তারা হারিয়ে ফেলে ৩ উইকেট। বিপর্যয়ের মধ্যে হাল ধরেন এলগার, প্রথমে ফাফ ডু প্লেসিকে সঙ্গে নিয়ে। চতুর্থ উইকেট জুটিতে এই দুজন খুব সতর্কতার সঙ্গে যোগ করেন ১২৬ রান।
ডু প্লেসি ৫২ রান করে জিমি নিশামের বলে ট্রেন্ট বোল্টকে ক্যাচ দেন। পঞ্চম উইকেটে এলগার ও টেম্বা বাভুমাকে নিয়ে আবারও হাল ধরেছেন। জুটিটি দিনশেষে অবিচ্ছিন্ন ৮১ রানে। বাভুমা অপরাজিত ৩৮ রানে।
দুর্দান্ত বল করেছেন নিল ওয়াগনার। ২০ ওভারে ৫৯ রান দিয়ে তিনি নিয়েছেন হাশিম আমলা ও জেপি ডুমিনির দুটি মূল্যবান উইকেট। সেটিও একই ওভারে। ম্যাচের বয়স যখন মাত্র ১৯ ওভার। এর আগে দলীয় ১০ রানে স্টিভেন কুককে হারায় দক্ষিণ আফ্রিকা। এলগার অন্য প্রান্ত থেকে দেখেছেন এই যাওয়া-আসা। সেখান থেকেই টেনে তুলেছেন দলকে। ক্যারিয়ারের সপ্তম সেঞ্চুরিটা এখন কোথায় নিয়ে যান, সেটাই দেখার। সূত্র: ক্রিকইনফো।

LEAVE A REPLY