কিসমিস কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। কারণ কিশমিশে প্রচুর পরিমাণে তন্তু থাকে৷ ফলে বাচ্চার কোষ্ঠ কাঠিন্যের সমস্যা হয় না৷ ছোটবেলায়ও এ সমস্যা হতে পারে৷ সেক্ষেত্রে কিসমিস জলে ফুটিয়ে সেটাকে থেঁতো করে মিহি করে নিতে হয়৷ ফলে কিসমিস নরম হয়ে যায় এবং তা বাচ্চারা সহজেই খেতে পারে৷

প্রচুর খনিজ থাকে বাচ্চাদের পুষ্টি এবং বৃদ্ধির জন্য তার খাদ্যতালিকায় খনিজ রাখা জরুরি৷ সেক্ষেত্রে কিসমিসে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, লোহা প্রচুর পরিমাণে থাকায় বাচ্চার বিকাশ ঘটার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ তাই সন্তানের ডায়েটে অন্তত একবার কিসমিস রাখার চেষ্টা করুন।

  • জ্বরে উপকারী : বাচ্চাদের জ্বরজারি লেগেই থাকে৷ সেক্ষেত্রে কথায় কথায় ঘাবড়ে গেলে চলবে না৷ বরং এক কাজ করুন, বাচ্চাকে কিসমিস খাওয়ান৷ জ্বরে এটি ওষুধ হিসেবে কাজ করে৷ ফলে এটি খাওয়ানো যেতেই পারে৷ অসুস্থ বাচ্চা এটি খেয়ে ফের আগের মতো দুষ্টুমি শুরু করবে৷ তাই বলে ওষুধ বন্ধ করে শুধু কিসমিস খাওয়াবেন না।
  • হিমোগ্লোবিন বাড়ায় :  বাচ্চার দেহে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিকমত বাড়ছে কিনা সেই খবর রাখা জরুরি৷ কিসমিসে যেহেতু প্রচুর মাত্রায় লৌহ থাকে তাই তাকে কিসমিস খাওয়ান৷ এতে দেহে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ বাড়বে সহজেই।
  • অ্যাসিডিটি দূর : অ্যাসিডিটি কমায় বাচ্চাদেরও অ্যাসিডিটির সমস্যা হয়৷ তবে সে তো আর যখন তখন অ্যাসিডিটির জন্য ওষুধ খেতে পারে না৷ সেক্ষেত্রে ওকে কিসমিস খাওয়ান৷ এতে দেহে অ্যাসিডের পরিমাণে সামঞ্জস্য বজায় থাকবে৷ ফলে বাচ্চার অসুবিধা হবে না।
  • শিশুর বিকাশ : মস্তিষ্কের বিকাশে কিসমিস সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমকে উন্নত করে৷ ফলে কোনো রকম ব্রেন ইঞ্জুরি সারার ক্ষেত্রে ভূমিকা নেয় এটি৷ বাচ্চার মস্তিষ্কের বিকাশেও এর যথেষ্ট ভূমিকা রয়েছে।

সুস্বাদু বাচ্চাকে খাওয়ানো যে কতটা ঝক্কির কাজ সেটা আমরা বুঝি৷ তবে কিসমিস যেহেতু খেতে মিষ্টি এবং সুস্বাদু তাই বাচ্চা এটি খেতে আপত্তি করবে না৷ তাছাড়া এর গুণাগুণ তো আর অজানা থাকল না৷ তবে খেয়াল রাখবেন অতিরিক্ত কিসমিস যেন বাচ্চা না খায়।

 

LEAVE A REPLY