জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী তরুণ সমাজের কথায় গুরুত্ব প্রদান এবং তাদের জন্য প্লাটফরম গড়ে তুলতে কমনওয়েথ পার্লামেন্টারিয়ানদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা, রাজনীতি ও সংসদীয় গণতন্ত্র সম্পর্কে বিশ্বের তরুণ সমাজকে আগ্রহী করে তুলতে এবং তরুণ নেতৃত্ব সৃষ্টিতে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশন (সিপিএ) অব্যাহত ভূমিকা রাখছে। ’
তিনি গতকাল লন্ডনের ওয়েস্টমিনিষ্টার অ্যাবেতে কমনওয়েলথ দিবস-২০১৭ এর ‘এ পিস বিল্ডিং কমনওয়েলথ’ বিষয়ে তরুণ সমাজের ভূমিকা শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে প্যানেল বক্তব্যে এ কথা বলেন।
আজ জাতীয় সংসদের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা জানানো হয়।
এবারের কমনওয়েলথ দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘এ পিস বিল্ডিং কমনওয়েলথ ’। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সিপিএ’র বিভিন্ন অঞ্চল ও শাখাসমূহে যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি পালিত হচ্ছে। স্পিকার বলেন, বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এবারের দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
স্পিকার কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের মধ্যে শান্তি এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় সদস্য দেশগুলোকে একসাথে কাজ করার আহবান জানিয়ে বলেন, কমনওয়েলথের মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠা এবং ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার মধ্যে দিয়ে বিশ্ব শান্তি আরো সুদৃঢ় ও সুসংহত হবে ।
স্পিকার বলেন, দেশে দেশে যুদ্ধাবস্থাই শুধু বিশ্ব শান্তির জন্য হুমকি নয়, বর্তমান বিশ্ব ব্যবস্থায় সন্ত্রাসবাদ, পরমানু অস্ত্রের বিস্তার, ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠীর ওপর আক্রমনও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় মারাতœক হুমকি হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে ।
তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন অংশে অব্যাহত সংঘাত ও সহিংসতার বিপক্ষে সিপিএ’র অবস্থান । বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় সিপিএ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বের মোট জনসংখ্যার এক পঞ্চমাংশ তরুণ, এই তরুণ সমাজকে গণতান্ত্রিক চর্চায় উদ্বুদ্ধ করে বিশ্ব শান্তি, সমৃদ্ধি ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠায় কাজে লাগাতে হবে।
কমনওয়েলথ দিবস-২০১৭ এর অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কমনওয়েলথ প্রধান ও সিপিএ’র প্যাট্রন রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ, সিপিএ’র সেক্রেটারি জেনারেল আকবর খাঁন, সিপিএ’র ব্রাঞ্চসমূহের প্রতিনিধি, কমনওয়েলথ দেশসমূহের তরুণ প্রতিনিধি এবং ১ হাজার স্কুল শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন।