সুইস ব্যাংকে টাকা রাখার কথাটা গোপন করেছিলেন। যার ফলে দু’‌বছরের জেল হল দেরাদুনের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজু বর্মার। একই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাও দিতে হবে তাঁকে। যদিও উচ্চ আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

২০০৬ সালে সুইস ব্যাংকে একটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন রাজু। যে অ্যাকাউন্টে ৯২ লাখ টাকা রয়েছে। আয়কর দপ্তরের কাছে এই অ্যাকাউন্টটির কথা গোপন করেছিলেন তিনি।

২০১২ সালে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছিল আয়কর দপ্তর। যে অভিযোগে লেখা ছিল, দেরাদুনের রাজপুর রোডের স্বর্ণ ব্যবসায়ী রাজু বর্মার সুইজারল্যান্ডে একটি অ্যাকাউন্ট রয়েছে। যা তিনি গোপন করেছেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই রাজুর কার্জন রোডের বাড়িতে ২০১২ সালের ১৪ মার্চ তল্লাশি চালায় আয়কর দপ্তর। পাওয়া যায় বিদেশি ব্যাংকে টাকা রাখার কাগজপত্র। এরপরেই রাজুকে গ্রেপ্তার করা হয়। শুরু হয় মামলা। যদিও তার মাঝে এক মাসের জন্য জামিনে ছাড়া পেয়েছিলেন তিনি।