এই সরকার ক্ষমতায় আসার পর যে বিষয়গুলো ছিল ট্রাম্পকার্ড বা দরকষাকষির উপলক্ষ, ট্রানজিট,বন্দর ব্যবহারের অনুমতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের বিষয়গুলো প্রধানমন্ত্রী অবলীলায় ভারতের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আজ বুধবার বেলা ১১টায় এক মানববন্ধনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরে চুক্তিগুলো জনগণের সামনে প্রকাশের দাবিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

তিনি আরও বলেন, অথচ আমরা এখনো কিছুই পাইনি। শুধু আশ্বাস পেয়েছি। প্রধানমন্ত্রী ভারত থেকে এসে বলেছেন, পানি মাঙ্গা, ইলেকট্রিসিটি মিলা। কুছ তো মিলা। আমাদের অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে কুছ মিলার জায়গায়। সামান্য কিছু পেয়েছি, এতেই আমরা খুশি। বাংলাদেশের মানুষ একটা কারাগারের মধ্যে পড়ে গেছে। সেই কারাগার থেকে অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে। জনগণকে আহ্বান করব, এগিয়ে আসুন, ন্যায্য অধিকার, ন্যায্য পাওনা আদায়ে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, এই যে নতজানু মনোভাব, এটার কারণে কখনো বড় কিছু আশা করা যায় না। এই সরকার জনগণের দ্বারা নির্বাচিত নয়, তারা জোর করে ক্ষমতায় বসে আছে, জোর করে ক্ষমতা দখল আছে। তাই যারা তাদের ক্ষমতায় টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে, তাদের কাছে সরকার জনগণের দাবিদাওয়া পেশ করতে পারছে না, আদায়ও করতে পারছে না।

নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরকারের উদ্দেশে বলেন, শুভবুদ্ধির আগমন হোক আপনাদের মাঝে। আর সেই নির্বাচন হতে হবে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে, একই সঙ্গে নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে। এ দেশের জনগণের দাবি আদায়ে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে সব দল, ব্যক্তি ও সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।