নীলফামারী- ৪ (সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল  এ এ মারুফ সাকলান (৭৩)  ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

আজ মঙ্গলবার সকালে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) সাকলান মারা যান। জানাজা শেষে আজই সাকলানের লাশ রাজধানীর বনানী কবরস্থানে দাফন করা হয়।

এর আগে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত জানাজায় অংশ নেনজাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, মন্ত্রী, এমপি, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও জাতীয় সংসদের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

জানাজা শেষে জাতীয় সংসদের স্পিকার ও সিপিএ নির্বাহী কমিটির চেয়ারপারসন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষে শওকত চৌধুরী মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

এর আগে মরহুমের রাজনৈতিক সহকর্মী ও পরিবারের পক্ষ থেকে তাঁর কর্মময় জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে স্মৃতিচারণা করা হয়। জানাজা পরিচালনা করেন সংসদ সচিবালয় মসজিদের ইমাম মো. নূরুল ইসলাম।

সাকলানের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এক শোক বিবৃতিতে তিনি সাবেক এমপির রুহের মাগফিরাত কামনা এবং তাঁর শোক-সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

মারুফ সাকলানের জন্ম ১৯৪৪ সালের ৩ মে নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ উপজেলার বাজে ডুমুরিয়া গ্রামে। তিনি পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পাকিস্তান মিলিটারি একাডেমির প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একজন সামরিক কর্মকর্তা মারুফ সাকলান ছাত্রজীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন অনুসারী ছিলেন। সামরিক বাহিনীর চাকরি থেকে অবসর গ্রহণের পর তিনি আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ১৯৮৯ সাল থেকে নীলফামারী জেলা আওয়ামী লীগের সঙ্গে তাঁর সংশ্লিষ্টতা।

নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ থেকে সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হন সাকলান। নবম সংসদে তিনি প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ছিলেন।