ফেডারেশন কাপে রহমতগঞ্জের চমক

রহমতগঞ্জ উঠে গেল ফেডারেশন কাপের শেষ চারে।

লড়াইটা সমান সমানই হতে পারত। শক্তির দিক থেকে দুই দলই ছিল একই জায়গায় দাঁড়িয়ে। তবে আজ বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে নিজেদের সেভাবে তুলে ধরতে পারেনি মুক্তিযোদ্ধা। সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে ফেডারেশন কাপের চতুর্থ কোয়ার্টার ফাইনালটা সহজেই জিতে নিয়েছে রহমতগঞ্জ। ৩-১ ব্যবধানে জয় তুলে পুরোনো ঢাকার দলটি উঠে গেছে মৌসুমের প্রথম প্রতিযোগিতার সেমিফাইনালে।

রহমতগঞ্জ ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে শেষবার কবে খেলেছে, তা মনে করতে পারছেন না দলটির কর্মকর্তারাও। দেশের ফুটবলে রেকর্ডপত্র সংরক্ষণের যে বেহাল অবস্থা, তাতে এ নিয়ে সঠিক তথ্য পাওয়া সত্যিই কঠিন। কেউ একজন বললেন, রহমতগঞ্জ নাকি নব্বইয়ের দশকের শেষ দিকে শেষবারের মতো খেলেছিল ফেডারেশন কাপের সেমিফাইনালে। তবে সে যা-ই হোক ফেডারেশন কাপের শেষ চারে উঠে রীতিমতো উৎসবে মেতেছে দলটি। ৩ জুন চট্টগ্রাম আবাহনীকে হারিয়ে ফাইনালে খেলারও আশা জেগেছে সমর্থকদের মনে। ক্লাব কর্মকর্তা ইকবাল উদ্দিন বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দাঁড়িয়ে সেটাই বলছিলেন হাসি মুখে।
ম্যাচে রহমতগঞ্জকে ৩৩ মিনিটে প্রথম এগিয়ে নেন মিডফিল্ডার শাহরান হাওলাদার। ৬৩ মিনিটে ইসমাইল বাঙ্গুরা করেন ২-০। ৬৯ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় ও দলের তৃতীয় গোলটি এনে দেন শাহরান। শেষ দিকে মতিউর ৩-১ করলেও ততক্ষণে ম্যাচ থেকে অনেক দূরেই চলে গেছে মুক্তিযোদ্ধা।