সাত ঘাটের পানি আনতে গিয়ে গৃহবধূকে কবিরাজের ‘ধর্ষণ’

বুধবার রাতে গৃহবধূকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে শাহাদ আলী। তার বাড়ি জয়সাড়া গ্রামে। এঘটনায় তাকে আটক করেছে পুলিশ।

জানা যায়, পবনডাঙ্গা গ্রামের আবের মণ্ডল (ছদ্ম নাম) দীর্ঘদিন থেকে অসুস্থ। তার চিকিৎসায় পার্শবর্তী জয়সাড়া গ্রামের শাহাদ আলী ওরফে সাধু কবিরাজের দ্বারস্থ হন তার স্ত্রী। মঙ্গলবার কবিরাজ শাহাদ আলী জানান, স্বামীকে সুস্থ করতে হলে ওই গৃহবধূকে তিনদিন গভীর রাতে পুকুরের সাত ঘাটের পানি সংগ্রহ করতে হবে। আর এই পানি আনতে হবে শুধুমাত্র কবিরাজকে সঙ্গে নিয়ে। ওই ভণ্ড কবিরাজের কথা মতো স্বামীকে সুস্থ করার জন্যে গৃহবধূ প্রথম দিন মঙ্গলবার রাতেই তার সঙ্গে গিয়ে পানি নিয়ে আসেন। দ্বিতীয় দিন বুধবার রাতে কবিরাজ আবারও গৃহবধূকে সঙ্গে নিয়ে পুকুরে সাত ঘাটের পানি আনতে যান। এ সময় ভণ্ড কবিরাজ শাহাদ আলী জোরপূর্বক গৃহবধূকে ধর্ষণ করেন। গৃহবধূ লোকলজ্জার ভয়ে ওই দিন কাউকে কথাটি জানানি।

এরপর বৃহস্পতিবার রাতেও ওই কবিরাজ অসুস্থ আবেরের বাড়িতে এসে আসন বসিয়ে আবারও গভীর রাতে গৃহবধূকে সঙ্গে নিয়ে পানি নিয়ে আসার প্রস্তাব দেয়। এ সময় ওই গৃহবধূ কবিরাজের সঙ্গে যাবেন না বলে জানায়। একপর্যায়ে উপস্থিত লোকজনের কাছে কবিরাজ তাকে আগের দিন ধর্ষণ করার বিষয়টি প্রকাশ করে।  সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত লোকজন ওই ভণ্ড কবিরাজকে আটক করে রাখে।  পরদিন শুক্রবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে গ্রামবাসী তাকে পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

আত্রাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুদ্দোজা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ নিজে বাদী হয়ে শুক্রবার থানায় মামলা করেছেন।’