আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হবে গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব

82

রাজধানী ঢাকায় আগামী ৫ অক্টোবর শুরু হবে গঙ্গা- যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব। উৎসব চলবে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত এগারদিন।
গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতিক উৎসব-এর গত ছয়টি উৎসব একই সাথে ঢাকা ও কলকাতায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল। কলকাতায় হয়েছে নাট্য উৎসব এবং ঢাকায় সাংস্কৃতিক উৎসব হয়েছে। কিন্তু এবারের উৎসবের সকল কর্মসূচি শুধুমাত্র ঢাকাতেই হচ্ছে।

৫ অক্টোবর বিকেলে শাহবাগে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে সাংস্কৃতিক উৎসব উদ্বোধন করবেন ভারতের নাট্যজন বিভাস চক্রবর্তী ও বাংলাদেশের নাট্যজন মামুনুর রশীদ। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি বিয়ষক মন্ত্রী আাসাদুজ্জামার নূর। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনে অতিথিরা ছাড়াও জাতীয় পর্যায়ের বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকরা অংশ নেবেন।

গঙ্গা-যমুনা উৎসব পর্ষদের আহবায়ক ও সস্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি গোলাম কুদ্দুস আজ বাসসকে এ সব তথ্য জানান। উৎসব আয়োজনে সহযোগিতা করছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, ইন্ডিয়া-বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এবং মার্কেন্টাইল ব্যাংক।

তিনি জানান, উৎসবের এগারো দিনের সবগুলো কর্মসূচি শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তন, পরীক্ষণ থিয়েটার মিলনায়তন, নন্দন মঞ্চ ও ষ্টুডিও থিয়েটার মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হবে। এতে থাকবে মঞ্চনাটক, নৃত্য, আবৃত্তি, সংগীত ও পথনাটক। বাংলাদেশ ও ভারতের মোট ৯৬টি দল উৎসবে অংশ নেবে। এতে ভারতের ৪টি নাট্যদলের ৪টি প্রদর্শনী, ঢাকা ও ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জেলার ২৬টি নাট্যদল প্রদর্শনী করবে। নন্দন উন্মুক্ত মঞ্চে থাকবে ৯টি পথনাটক। আরও থাকছে ১৮টি আবৃত্তি সংগঠনের পরিবেশনা, ১৮টি সংগীত সংগঠনের গান ও ১৮টি নৃত্য সংগঠনের নৃত্যনাট্য। রয়েছে একক ও দলীয় আবৃত্তি এবং সংগীত।

এবারের উৎসবে বিভিন্ন পরিবেশনা ও প্রদর্শনীতে প্রায় ২ হাজার ৫০০ জন শিল্পী অংশ নেবেন । উন্মুক্ত মঞ্চের সাংস্কৃতিক পর্ব প্রতিদিন বিকেল সাড়ে চারটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত চলবে। মঞ্চ নাটক প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটায় শুরু হবে।

উদ্বোধনী দিনে ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় জাতীয় নাট্যশালা মিলনায়তনে ভারতের ড্যান্সার্স গিল্ড পরিবেশন করবে নৃত্যনাট্য ‘ তোমারই মাটির কন্যা ’। এটি নির্দেশনায় রয়েছেন জোনাকী সরকার এবং কোরিওগ্রাফিতে রয়েছেন মঞ্জুশ্রী চাকী ।

গোলাম কুদ্দুস জানান, দুই দেশের সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে মতবিনিময়, সম্পর্ক উন্নয়ন, শিল্পীদের মধ্যে পরিচিতির জন্যই তারা গঙ্গা-যমুনা সাংস্কৃতকি উৎসব আয়োজন করে আসছেন। বিগত উৎসবগুলোর মধ্যদিয়ে তাদের এই আকাক্সক্ষার অনেকটাই সফল হয়েছে বলে তিনি জানান।