সালমান শাহর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে শাবনূরের সংশ্লিষ্টতার খবরের রেশ না কাটতেই সংসার ভাঙলো বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় এ চিত্রনায়িকার। স্বামী অনিক মাহমুদের সঙ্গে ডিভোর্স চেয়ে নোটিশ পাঠিয়েছেন তিনি। গত ২৬ জানুয়ারি নিজের সই করা তালাকের একটি নোটিশ উকিলের মাধ্যমে স্বামী অনিককে পাঠিয়েছেন শাবনূর।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় অবস্থান করছেন শাবনূর। দেশে ফেরার বিষয়ে শাবনূর বলেন, দেশে ফেরার মতো মানসিকতা আর নেই। একদিকে সুখে-শান্তিতে সংসার করতে পারলাম না। অন্যদিকে সম্প্রতি সালমানের অপমৃত্যুর সঙ্গে  অনাকাঙ্খিত ও উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে জড়ানো হয়েছে। তাই দেশে ফিরে আর কি করবো।

এ অভিনেত্রী আরো বলেন, আমার ছেলে আইজানকে এখানকার স্কুলে ভর্তি করিয়েছি। তা ছাড়া এদেশে বেশকিছু ব্যবসা-বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত আছি। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আর দেশে ফিরবো না।

স্বামী অনিককে তালাকের সিদ্ধান্তে এ অভিনেত্রী বলেন, ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে বিয়ে করি আমরা। এর পরের বছর ২৯ ডিসেম্বর আমাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান আসে। কিন্তু অনিক আমার সন্তানকে দেখতে যায়নি। এরপর থেকে তার কাছে আমার সন্তানের কোনো গুরুত্ব দেখিনি।

শাবনূর আরো জানান, দাম্পত্য জীবনে সেই সুখের দেখা পাননি তিনি। গত প্রায় ৭ বছর চেষ্টা করে অনিকের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে চলেছেন। বিনিময়ে অবহেলা আর অত্যাচার পেয়েছেন। এভাবে আর সহ্য না করতে পেরে নিরুপায় হয়ে ডিভোর্সের পথ বেছে নিয়েছি।