পিরোজপুর জেলায় চলতি রবিশস্য মৌসুমে ৪৯ হাজার ৭শত হেক্টরে রবিশস্য চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। রবিশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লক্ষ ৯২ হাজার ৭৫ মেট্রিক টন। এদিকে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় পিরোজপুরে রবিশস্য চাষিদের ৬১ লক্ষ ৯৯ হাজার ৬শত টাকার প্রণোদনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত রবিশস্য চাষিদের পুনর্বাসনে ৯৯ লক্ষ ৬৭ হাজার ৩শত টাকার কৃষি উপকরণ বিতরণ করছে।

পিরোজপুর জেলায় ৭ উপজেলার ৫২টি ইউনিয়ন ও ৪টি পৌরসভার বোরো চাষে হাইব্রিড, উফসী এবং স্থানীয় জাতের বোরো মিলিয়ে ২৪ হাজার ৫শত ৬০ হেক্টর জমিতে উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লক্ষ ৮ হাজার ৬শত ২৬ মেট্রিক টন। অনুরূপভাবে গম ৩৫ হেক্টরে ১১২ মেট্রিক টন, ভুট্টা ৪৫০ হেক্টরে ৪ হাজার ১৬৩ মেট্রিক টন, আলু ১০৫০ হেক্টরে ২১ হাজার মেট্রিক টন, মিষ্টি আলু ৩৩০ হেক্টরে ৬ হাজার ৬০০ মেট্রিক টন, মসুর ৪৭ হেক্টরে ৫৬ মেট্রিক টন, আখ ৩২০ হেক্টরে ১৪ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন, ছোলা ৫ হেক্টরে ৬ মে: টন, পিয়াজ ৯৬ হেক্টরে ৮৩৫ মে: টন, রসুন ৫৯ হেক্টরে ৪৪৩ মে: টন, ধনিয়া ২০১ হেক্টরে ৫ মেট্রিক টন, সূর্যমূখী ১৬৯ হেক্টরে ৩৫৪ মেট্রিক টন, বিভিন্ন ধরনের সবজি ৫৬০০ হেক্টরে ১ লক্ষ ১৩ হাজার ৬৮০ মেট্রিক টন, মরিচ ৫২২ হেক্টরে ৮০৪ মেট্রিক টন, তিল ১৮ হেক্টরে ১৯ মেট্রিক টন, সরিষা ১৩৫ হেক্টরে ১৬৯ মেট্রিক টন, মুগ ৪৫০০ হেক্টরে ৫ হাজার ৭ শত ৬০ মেট্রিক টন, খেসারী ১১৫৯৫ হেক্টরে ১৪ হাজার ৬১০ মেট্রিক টন, চিনাবাদাম ৬০ হেক্টরে ১০৪ মেট্রিক টন এবং ফেলন ৭ হেক্টরে ৯ মেট্রিক টন চাষের ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের পিরোজপুরের উপ-পরিচালক চিন্ময় রায় জানান ,রবিশস্য চাষের প্রণোদনা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের পুর্নবাসন প্রণোদনার কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে এ জেলায় রবিশস্য চাষের এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা সম্ভব হবে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুরের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা চাষিদের বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ প্রদান করছে। এছাড়া সব ধরনের সার, বীজ এবং কীটনাশক এখন একেবারেই সহজলভ্য হওয়ায় কৃষি জাতীয় পণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে।