কুড়িগ্রাম জেলায় মাঝারি ধরণের শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত রয়েছে। রোববার ভোর ৬টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুড়িগ্রামের রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষনাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, এ অবস্থা আরো ২-৩ দিন অব্যাহত থাকতে পারে।

এদিকে কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় ঠান্ডা বেশী অনুভূত হচ্ছে। দুর্ভোগে পড়েছে শহরের বস্তি, চরাঞ্চল ও নদ-নদী তীরবর্তী এলাকায় হত দরিদ্র মানুষ। অনেকেই খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুনের উত্তাপ নেয়ার চেষ্টা করছে। শিশু ও বয়স্কদের অবস্থা কাহিল হয়ে পড়েছে। বাড়ছে রোগব্যাধিও। শ্রমজীবীদের অনেকেই যেতে পারছেননা কাজে। অতিকষ্টে কাজে বের হলেও রোজগার গেছে কমে।

কুড়িগ্রামের ছয়ানি বস্তির বাসিন্দা রীতা রানী ও টুলো রানী জানান, দু’দিন ধরে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় শিশুদের নিয়ে অতিকষ্টে দিন পার করছেন তারা। ইতোমধ্যে বস্তির ঘরে ঘরে দেখা দিয়েছে শীতজনিত রোগ ব্যাধির প্রকোপ। কুড়িগ্রাম স্টেশন এলাকায় রেল লাইনের পাশে আশ্রিত মোজান্মেল হক, নুর বক্ত আলী ও গোলেনুর বেগম বলেন, উচ্ছেদের পর তারা প্রচন্ড ঠান্ডায় পলিথিন টাঙিয়ে আশ্রয় নিয়ে আছেন। কনকনে ঠান্ডা আর হিমেল হাওয়ায় কাবু হয়ে পড়েছেন তারা।

কুড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুণর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল হাই সরকার জানান, জেলায় ৩৫ হাজার কম্বল ইতোমধ্যে বিতরণ করা হয়েছে। প্রতি উপজেলায় বরাদ্দকৃত ৬ লাখ টাকা দিয়ে শীতবস্ত্র কিনে বিতরণের প্রক্রিয়া চলছে।